আমচুরের উপকারিতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া | Mango Powder Benefits and Side Effects in Bengali

Written by

আমাদের প্রায় সকলের রান্নাঘরে নানান মশলা মজুত থাকে। সেইসব মশলা কেবলমাত্র খাবারকে সুস্বাদু এবং সুগন্ধযুক্ত করে তোলে তা নয়, তার মধ্যে উপস্থিত উপাদান শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টিও জোগায়। যার মধ্যে অন্যতম মশলা হল আমচুর বা আমের গুঁড়ো। অনেকে হয়তো শুনলে অবাক হবেন, আমচুর কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। আমাদের এই প্রতিবেদনে রইল আমচুরের উপকারিতা। সেইসঙ্গে বাড়িতেই আমচুর তৈরির সহজ পদ্ধতি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

আমচুর কী ?

অনেক ঘরোয়া রান্নায় আমচুর পাউডারের ব্যবহার করা হয়। কাঁচা আমের এর গুঁড়োই হল আমচুর। যদিও বাজারে খবু সহজেই আমচুর পাউডার কিনতে পাওয়া যায়। তবে আপনি চাইলে বাড়িতেই আমচুর বানিয়ে ফেলতে পারেন। কাঁচা আম কেটে রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করলে যে পাউডার পাবেন সেটাই হল আমচুর। প্রতিবেদনের নীচে আমচুর তৈরির সহজ পদ্ধতি উল্লিখিত করা হয়েছে। টক আমচুর পাউডার খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্যেও উপকারী। নীচে আমচুরের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হল।

আমচুর পাউডারের উপকারিতা

আমের যেমন নানা উপকার রয়েছে তেমনই আমচুরেরও বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে। একাধিক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ আমচুর শরীরের নানা উপকার করে। তবে মনে রাখবেন, আমচুর শারীরিক সমস্যা কমাতে এবং প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ঠিকই তবে এটি কোনও রোগের চিকিৎসা নয়। তাই গুরুত্বর শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

এবার জেনে নিন আমচুরের উপকারিতা কী কী –

১. ওজন কমায়

 আমচুরের ব্যবহার ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। সেইসঙ্গে ফাইবারও রয়েছে (১)। গবেষণায় প্রমাণিত, ভিটামিন সি হচ্ছে অন্যতম একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ওজন কমাতে সাহায্য করে (২)। এছাড়াও অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার ওজন কমাতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয় (৩)। অতএব বলা যেতে পারে, এর আপনি যদি ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন তাহলে আমচুর উপকারী বিকল্প হতে পারে। এনসিবিআই (ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজিক ইনফরমেশন) এ প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গেছে, শুকনো আম ওজন বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে (৪)। সুতরাং বলা যেতে পারে ওজন কমাতে এটি উপকারী। তবে এটি কীভাবে সরাসরি উপকারী হবে সে বিষয়ে আরও পরীক্ষানিরীক্ষা প্রয়োজন।

২. ক্যান্সার প্রতিরোধক

এনসিবিআই এর একটি রিপোর্ট অনুসারে আমের মধ্যে ম্যাঙ্গিফেরিন (Mangiferin) নামক একটি উপাদান রয়েছে। তা শুধু আমের গুঁড়োতেই নয়, খোসা, পাতা এবং গাছের ছালেও এই উপাদান পাওয়া যায়। ওই গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে ম্যাঙ্গিফেরন নামক উপাদানটি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে (৫)। এর ভিত্তিতে বলা যেতে পারে আমের গুঁড়ো ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে উপকারী হতে পারে। তবে এর কার্যকারিতা জানার জন্য সঠিক গবেষণার প্রয়োজন। একইসঙ্গে এটাও মনে রাখবেন আমচুর ক্যান্সার নিরাময়ের উপায় নয়। যদি কেউ ক্যান্সার আক্রান্ত হন তার সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

৩. ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী

আমচুরের ব্যবহার ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও সাহায্য করতে পারে। যেমনটা উপরে উল্লিখিত, আমের মধ্যে ম্যাঙ্গিফেরিন রয়েছে যা আমচুরের মধ্যেও উপস্থিত থাকতে পারে। ম্যাঙ্গিফেরিন ক্যান্সারের পাশাপাশি সংক্রমণ, হার্টের সমস্যা এবং ডায়াবেটিসের সমস্যায় উপকারী হতে পারে (৫)। যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে তারা বিকল্প হিসেবে আমচুর ব্যবহার করতে পারেন। তবে আমচুর ডায়াবেটিসে কীভাবে সরাসরি উপকারী হতে পারে সে সম্পর্কে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

৪. দৃষ্টিশক্তি ভালো করে

আমচুর চোখের জন্য উপকারী হতে পারে। এনসিবিআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, আমের মধ্যে বিটা ক্যারোটিন নামক একটি উপাদান রয়েছে, যার মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বিটা ক্যারোটিন ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে (৬)। সুতরাং বলা যেতে পারে যে আমের গুঁড়ো চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এই বিষয়ে আরও সুনির্দিষ্ট গবেষণা প্রয়োজন।

৫. হজমশক্তি উন্নত করে

হজমের সমস্যা দূর করতে আমচুর ব্যবহার করতে পারেন। আমচুরের মধ্যে ফাইবার উপস্থিত রয়েছে যা হজমশক্তি উন্নত করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেও মুক্তি দিতে পারে (১) (৭)। তবে এটি কীভাবে হজমের জন্য সরাসরি উপকারী হতে পারে সে সম্পর্কে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

৬. হার্টকে সুস্থ রাখে

হার্ট সুস্থ রাখতে আমচুর ব্যবহার করতে পারেন। ইঁদুরের উপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে রক্তে লিপিড (ফ্যাট) বৃদ্ধির কারণে গুরুতর হার্টের গুরুত্বর রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। রক্তে লিপিড বৃদ্ধির অবস্থাকে হাইপারলিপিডেমিয়া বলা হয় এবং আমচুর ব্যবহারের মাধ্যমে এটি কম করা সম্ভব। গবেষণা অনুযায়ী, আমচুরের মধ্যে অ্যান্টিহাইপারলিপিডেমিক (Antihyperlipidemic) বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা সিরাম কোলেস্টেরল, ভিএলডিএল (Very low density lipoproteins) আর ট্রাইগ্লিসারাইডস (Triglycerides) কমাতে সাহায্য করতে পারে। সুতরাং আমচুর খাওয়ার ফলে রক্তে লিপিড বা কোলেস্টেরল বৃদ্ধিজনিত হৃদরোগের ঝুঁকি কমতে পারে (৮)

৭. অ্যানিমিয়ার সমস্যা কমায়

রক্তে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে শরীরে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগটি দেখা দেয়। আয়রনের ঘাটতির কারণে এমনটা হতে পারে (৯)। আমচুর এই সমস্যায় সহায়ক হতে পারে। একইসঙ্গে শুকনো আমের মধ্যে আয়রন থাকে যা শরীরে আয়রনের সঠিক মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে (১)

৮. স্কার্ভির চিকিৎসা

স্কার্ভি হল ভিটামিন সি এর অভাবজনিত একটি রোগ। এই সমস্যা থাকলে সাধারণত মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে, ক্লান্ত লাগে এবং দুর্বল বোধ হয়। এছাড়াও আমের (যা থেকে আমচুর তৈরি হয়) মধ্যে ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণ করতে পারে। এর থেকে বলা যেতে পারে যে স্কার্ভির মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমচুর ব্যবহার করতে পারে (১০) (১)। তবে এই বিষয়ে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন।

৯. ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে

আমের মধ্যে পাওয়া অন্যতম উপাদান ম্যাঙ্গিফেরিনের নানা ঔষধিগুণ রয়েছে, যার মধ্যে একটি হল অ্যান্টি-স্ক্যাভেঞ্জিং। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি শরীরকে বিষাক্ত প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারে। সহজভাবে বলতে গেলে এই ডিটক্সিফিকেশনে সহায়তা করে (১১)। কাঁচা আম শুকিয়ে আমচুর তৈরি করা হয়, তাই বলা যেতে পারে এই বৈশিষ্ট্য আমচুরেও উপস্থিত থাকবে।

১০. অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ

এনসিবিআই এর এই গবেষণায় দেখা গেছে, আমের বিভিন্ন অংশে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে। এছাড়াও এতে উপস্থিত উপাদান ম্যাঙ্গিফেরিন অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাবগুলি প্রদর্শন করতে পারে (৪)। এই ভিত্তিতে বলা যেতে পারে এই গুণ আমচুরের মধ্যেও উপস্থিত থাকতে পারে যা শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা উপকারী হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

১১. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ

ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ এড়াতে আমচুর পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, আমচুরের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্য ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে (১২)

আমচুরের পুষ্টিগত মান

ইতিমধ্যে উল্লিখিত যে আমচুর কাঁচা আম শুকিয়ে গুঁড়ো করে তৈরি করা হয়। সুতরাং এটিতে কাঁচা আমের মতো একই পুষ্টি থাকতে পারে। সেই ভিত্তিতে আমচুরের পুষ্টিগত মান তুলে ধরা হল (১)

পুষ্টিগত মানমাত্রা প্রতি ১০০ গ্রাম
জল১৬.৬ গ্রাম
ক্যালোরি৩১৯ kcal
প্রোটিন২.৪৫ গ্রাম
ফ্যাট১.১৮ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেট৭৮.৫৮ গ্রাম
ফাইবার২.৪ গ্রাম
সুগার৬৬.২৭ গ্রাম
আয়রন০.২৩ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেশিয়াম২০ মিলিগ্রাম
ফসফরাস৫০ মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম২৭৯ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম১৬২ মিলিগ্রাম
জিঙ্ক০.৩ মিলিগ্রাম
ম্যাঙ্গানিজ১০ মিলিগ্রাম
কপার০.৩ মিলিগ্রাম
সেলিনিয়াম২.১ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন সি৪২.৩ মিলিগ্রাম
থায়ামিন০.০৬২ মিলিগ্রাম
রাইবোফ্লোভিন০.০৮৫ মিলিগ্রাম
নিয়াসিন২ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি ৬০.৩৩৪ মিলিগ্রাম
ফোলেট৬৮ মাইক্রোগ্রাম
কোলিন২৩.৭ মিলিগ্রাম
ভিটমিন এ৬৭ মাইক্রোগ্রাম
বিটা ক্যারোটিন৭৮৬ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন এ IU১৩৪৩ IU
ভিটামিন ই৪.০২ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন কে১৩.২ মাইক্রোগ্রাম
ফ্যাটি অ্যাসিড টোটাল স্যাচুরেটেড০.২৮৭ গ্রাম
ফ্যাটি অ্যাসিড টোটাল মনোআনস্যাচুরেটেড০.৪৩৯ গ্রাম
ফ্যাটি অ্যাসিড টোটাল পলিআনস্যাচুরেটেড০.২২২ গ্রাম

আমচুর তৈরির পদ্ধতি

এবার জেনে নিন আমচুর তৈরির পদ্ধতি, এভাবে সহজেই বাড়িতে তৈরি করতে পারবেন আমচুর পাউডার।

  • প্রথমে ২ কেজি আম নিয়ে ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
  • এরপর বীজ বের করে আম ছোটো ছোটো টুকরো করে কেটে নিন।
  • তারপর কেটে রাখা আম ২-৩ দিন ধরে রোদে শুকিয়ে নিন।
  • পোকা এবং ব্যাকটেরিয়া দূরে রাখে সামান্য হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন।
  • ভালো ভাবে শুকিয়ে গেলে আম এক জায়গা করে নিন।
  • এবার শুকনো আম গ্রাইন্ডারে ভালো করে পিষে নিন।

ব্যাস, তাহলেই তৈরি আমচুর পাউডার।

আমচুর কীভাবে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করবেন ?

আমচুর দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করতে হলে এটি ভালো করে সংরক্ষণ করা জরুরি। কারণ আমচুর পাউডার হাওয়ার সংস্পর্শে এলে খুব তাড়াতাড়ি জমাট বেঁধে যায়। তাই এমন একটি এয়ারকন্ডিশনার কৌটোতে আমচুর পাউডার রাখুন যাতে হাওয়া পৌঁছাতে পারবে না। সেই কৌটোটি এমন জায়গায় রাখুন যেখানে রোধ, জল ও হাওয়া পৌঁছাবে না। এভাবে অনেকদিন পর্যন্ত আমচুর পাউডার ভালোভাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

আমচুর পাউডার কীভাবে ব্যবহার করবেন ?

আমচুর খুব সহজভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। জেনে নিন কিছু উপায় –

  • স্যালাডের উপর সামান্য আমচুর পাউডার ছড়িয়ে নিন। খেতেও সুস্বাদু হবে, শরীরের উপকারও হবে।
  • সবজিতে যদি টক স্বাদ যোগ করতে চান তাহলে এক থেকে দুই চুটকি আমচুর পাউডার মিশিয়ে রান্না করতে পারেন।
  • দুই থেকে তিন চামচ আমচুর মিশিয়ে চাটনি তৈরি করতে পারেন। স্ন্যাক্সের সঙ্গে সেই চাটনি খেতে পারেন।

মাত্রাসাধারণত সারাদিন এক চামচ অর্থাৎ ১০ গ্রাম পর্যন্ত আমচুর পাউডার গ্রহণ করতে পারেন। তবে সবার ক্ষেত্রে এটি সমান নাও হতে পারে। স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করে সঠিক পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে। সেরকম হলে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন এবং সঠিক মাত্রা জেনে নিন।

আমচুরের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

এবার জেনে নিন আমচুরের কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে –

  • আমচুর ভিটামিন সি -এর একটি ভালো উৎস। তাই অত্যধিক আমচুর গ্রহণ করলে পেটের সমস্যা হতে পারে। যেমন, গ্যাস, বমিভাব এবং ডায়ারিয়ার কারণ হতে পারে (১) (১৩)
  • যাদের কিডনিতে পাথরের সমস্যা রয়েছে তাদের এটি এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ এর মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন সি এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে (১) (১৩)
  • কেউ কেউ আবার এটি খাওয়ার কারণে অ্যালার্জির অভিযোগও করে থাকেন।
  • এটি ঠান্ডা প্রকৃতির হওয়ায় অনেক সময় আমচুর পাউডার সর্দি, কাশি এবং গলা ব্যথার কারণ হতে পারে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলেও আমচুরের উপকারিতা কিন্তু অনেক বেশি। আর আপনি তখনই বেশি উপকার পাবেন যখন সঠিক মাত্রায় আমচুর গ্রহণ করবেন। অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে সমস্যা হতে পারে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

আমচুর পাউডারের স্বাদ কেমন?

আমচুর খেতে টক।

গর্ভাবস্থায় কী আমচুর খাওয়া যেতে পারে?

অনেক গর্ভবতী মহিলা গর্ভাবস্থায় কার্ভিং দূর করতে কাঁচা আম খেয়ে থাকেন। তবে এটি স্বাস্থ্যের দিক থেকে কতটা উপকারী সেই সম্পর্কে সঠিক গবেষণা পাওয়া যায়নি। তাই গর্ভাবস্থায় আমচুর খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

আমচুরের প্রকৃতি কেমন, ঠান্ডা না গরম?

আমচুর ঠান্ডা প্রকৃতির।

13 sources

Articles on StyleCraze are backed by verified information from peer-reviewed and academic research papers, reputed organizations, research institutions, and medical associations to ensure accuracy and relevance. Check out our editorial policy for further details.
Was this article helpful?
The following two tabs change content below.
scorecardresearch