ঘন ঘন কফি খান? জেনে নিন ব্ল্যাক কফি খাওয়ার উপকারিতা | All About Black Coffee in Bengali

by

সকালে এককাপ চা বা কফি না হলে দিনের শুরুটা ঠিক জমে না। বিশেষ করে এই কনকনে ঠান্ডার দিনে। অনেকে আছেন ঘন ঘন চা, কফি খেতে ভালোবাসেন। আবার অনেকের ব্ল্যাক কফি পছন্দ। বিশেষ করে যারা স্বাস্থ্য সচেতন। হ্যাঁ, ব্ল্যাক কফি কিন্তু শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লান্তিভাব দূর করতে চুমুক দিতে পারেন এককাপ ব্ল্যাক কফিতে। সঠিক সময় এবং সঠিক মাত্রায় ব্ল্যাক কফি খেলে উপকার পাবেন। এটি শারীরিক এবং মানসিক নানা সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। আমাদের এই প্রতিবেদনে ব্ল্যাক কফির উপকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং এর সম্পর্কে আরও খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা করা হল –

ব্ল্যাক কফি কী ?

কফি একটি বিশেষ শক্তিসম্পন্ন পানীয়। কফিয়া অ্যারাবিকা (Coffea Arabica) নামক গাছের ফল থেকে কফি পাওয়া যায় ()। কফিয়া অ্যারাবিকা গাছের ফল সেঁকে নেওয়ার পর পিষে কফি পাউডার তৈরি করা হয়। গরম জলে কফি পাউডার মিশিয়ে নানারকম কফি তৈরি করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হল ব্ল্যাক কফি। ব্ল্যাক কফি তৈরি পদ্ধতি নীচে দেওয়া হল। ব্ল্যাক কফিতে যেহেতু চিনি ও দুধের ব্যবহার করা হয় না তাই কফির সমস্ত গুণাগুণ এতে পাওয়া যায়। যা শরীরের জন্য উপকারী। ব্ল্যাক কফি খাওয়ার উপকারিতাগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হল।

ব্ল্যাক কফির উপকারিতা

১. ওজন কমায়

ব্ল্যাক কফি ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এতে রয়েছে ক্যাফেইন নামক উপাদান যা পরিপাক ক্রিয়াকে উন্নত করে। স্বাভাবিকভাবে ওজন কমতে শুরু করে। এনসিবিআই (ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেক্টোলজি ইনফরমেশন) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী ক্যাফেইন অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে ()। কিছু গবেষণায় এও দেখা গেছে ক্যাফেইন নামক উপাদান যা মেটাবলিজম হারকে বাড়াতে এবং পরিপাকে সাহায্য করে ()।

২. স্ট্রেস কমায়

ব্ল্যাক কফির উপকারিতার মধ্যে এটি অন্যতম। হতাশা, চিন্তা, উদ্বেগ এবং মানসিক চাপ এবং একঘেয়েমি, এইসমস্ত অতিরিক্ত ঘুম এবং অলসতার কারণ হয়ে উঠতে পারে ()। ব্ল্যাক কফিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন পাওয়া যায়, যা মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যাফেইন একঘেয়েমি এবং ক্লান্তি দূর করতে পারে। তবে স্ট্রেসের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্ল্যাক কফি খাওয়া ঠিক নয়, প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো ()।

আরও একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাফেইন কর্টিসল হরমোন (যাকে স্ট্রেস হরমোনও বলে) বাড়াতে পারে। এই হরমোনের বর্ধিত মাত্রা মস্তিষ্কের ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক চাপ, হতাশা এবং ঘুমের সমস্যা ডেকে আনতে পারে। সুতরাং এই মানসিক পরিস্থিতিতে ব্ল্যাক কফি খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন () ()।

৩. ডায়াবেটিসের চিকিৎসা

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কফি খাওয়ার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম করা যেতে পারে। এর সাহায্যে মধুমেয় অর্থাৎ ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এতে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিডও রয়েছে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।

ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড অন্ত্রের গ্লুকোজ শো,ণকে বাধা দিতে পারে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে পারে। একইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, যারা প্রতিদিন ব্ল্যাক কফি খান তাদের মধ্যে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম দেখা গেছে। সুতরাং বলা থেকে পারে যে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ব্ল্যাক কফি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। কিন্তু চিনি ছাড়া খেলে তবেই ব্ল্যাক কফির উপকার পাবেন ()।

৪. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী

ব্ল্যাক কফি খাওয়া মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। কফিতে উপস্থিত ক্যাফেইন কগনিটিভ মুড সম্পর্কিত সুবিধা প্রদান করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এটি সতর্কতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ক্লান্তি ও মাতাব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। ক্যাফেইন ছাড়া কফি সতর্কতা বাড়াতে কার্যকর ()। তাই ব্ল্যাক কফি খাওয়ার মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

৫. হার্টের সুস্বাস্থ্য

ব্ল্যাক কফি হার্টের জন্যও উপকারী। এনসিবিআইসের ওয়েবসাইটে এই সম্পর্কিত গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, কফিতে ফাইটোকেমিক্যাল পাওয়া যায়। যা গ্লুকোজ মেটাবলিজম কে উন্নত করে, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করতে পারে, প্লেটলেট ফাংশন এবং ইমিউনোমোডুলেশনকে প্রভাবিত করে হার্টকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করতে পারে (১০)।

অন্য গবেষণায় দেখা গেছে, কফি খেলে হার্ট ফেইলিওর অর্থাৎ এর সীমিত ব্যবহারের ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। একইসাথে এই গবেষণায় স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে কফি খাওয়ার কারণে হৃদরোগ বাড়তেও পারে (১১)। সুতরাং যাদের হার্টের সমস্যা রয়েছে ব্ল্যাক কপি খাওয়া শুরু করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৬. লিভারের জন্য উপকারী

ব্ল্যা কফি খাওয়া লিভারের জন্যও ভালো। কফিতে পলিফেনলস, ক্যাফেইন এবং ডিটারপিনয়েডস (এক ধরণের যৌগ) রয়েছে, যা লিভারকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। কফি খাওয়ার ফলে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং লিভারে জ্বালা কমতে পারে। একই সময়ে অনেক গবেষণায় কফির হেপাটোপ্রোটেক্টিভ বৈশিষ্ট্যগুলি সুনিশ্চিত করে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, কফি খাওয়ার ফলে লিভারের স্টিটিসিস (লিভারের কোষগুলিতে ফ্যাট জমে) কম করা সম্ভব। এটি লিভারের টিস্যুকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করে এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় (১২)।

৭. ক্যানসার প্রতিরোধ করে

ব্ল্যাক কফির উপকারিতা ক্যানসার প্রতিরোধেও দেখা যায়। একটি পরীক্ষা অনুযায়ী, কফিতে উপস্থিত ক্যাফেইন গ্যাস্ট্রিক ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি ক্যানসার কোষের বৃদ্ধিতে বাধা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, কফি (ক্যাফেইন) খাদ্যনালী, স্তন, লিভার এবং মস্তিষ্কের মতো অঙ্গেও ক্যানসার বিরোধী প্রভাব দেখাতে পারে (১৩)। এইভাবে ব্ল্যাক কফি ক্যানসারের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, কফি ক্যানসার চিকিৎসা নয়। যারা এই রোগের সঙ্গে লড়াই করছেন অবশ্যই তারা ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৮. পার্কিনসন

পার্কিনসন রোগ হল একটি স্নায়বিক অসুস্থতা যেটি নিউরোনের (স্নায়ুর কোষ) উপর প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে মস্তিষ্কে বর্ধনশীল ক্ষয়ের সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কফিতে উপস্থিত ক্যাফেইন পার্কিনসনের ঝুঁকি কমাতে পারে (১৪)। অন্য একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, ক্যাফেইন নিউরোস্টিমুল্যান্ট এবং নিউরোপ্রোটেক্টিভ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর ভিত্তিতে বলা যেতে পারে যে ক্যাফেইন কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কফির এই বৈশিষ্ট্যের কারণে পার্কিনসন থেকে মুক্তি পেতে ব্ল্যাক কফি খেতে পারেন (১৫)।

৯. মানসিক অবসাদ

কফি হতাশা দূর করতে সাহায্য করে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে কফি খাওয়ার ফলে মানসিক অবসাদ কমতে পারে। আবার অন্য গবেষণায় এর বিপরীত প্রতিক্রিয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে (১৬)। অতিরিক্ত মাত্রায় কফি খেলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে।

১০. শারীরিক ক্ষমতা বাড়ায়

অনেক অনুশীলনকারী শরীরের স্ট্যামিনা বাড়াতে ক্যাফেইন ব্যবহার করেন। যদি এটি নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত নয় (১৭)। যেহেতু কফিতে প্রচুর ক্যাফেইন রয়েছে, যা শারীরিক শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে (১৮)। যদিও এই বিষয়ে আরও গবেষণা করা প্রয়োজন।

ব্ল্যাক কফির পুষ্টিগুণ

ব্ল্যাক কফির উপকারিতা জানার পর, এর মধ্যে উপস্থিত পুষ্টিগুণও জেনে রাখা জরুরি। নীচে কফির পুষ্টিগুণ দেওয়া হল, যা ব্ল্যাক কফিতেও উপস্থিত থাকতে পারে (১৯)–

পুষ্টিগুণমাত্রা প্রতি ১০০ গ্রাম
জল৯৯.৩৯ গ্রাম
এনার্জি১ ক্যালোরি
প্রোটিন০.১২ গ্রাম
টোটাল লিপিড (ফ্যাট)০.০২ গ্রাম
ক্যালসিয়াম২ গ্রাম
আয়রন০.০১ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেশিয়াম৩ মিলিগ্রাম
ফসফরাস৩ মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম৪৯ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম২ মিলিগ্রাম
জিঙ্ক০.০২ মিলিগ্রাম
ভিটামিন সি, টোটাল অ্যাসকরবিক অ্যাসিড০.০ মিলিগ্রাম
থায়ামিন০.০১৪ মিলিগ্রাম
রাইবোফ্লাভিন০.০৭৬ মিলিগ্রাম
নিয়াসিন০.১৯১ মিলিগ্রাম
ফোলেট, ফুড২ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন ই (আলফা টোকোফেরল)০.০১ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি-৬০.০০১ মিলিগ্রাম
ভিটামিন কে (phylloquinone)০.১ মাইক্রোগ্রাম
ফ্যাটি অ্যাসিড, টোটার স্যাচুরেটেড০.০০২ গ্রাম
ফ্যাটি অ্যাসিড, মোট মনো আনস্যাচুরেটেড০.০১৫ গ্রাম
ফ্যাটি অ্যাসিড, টোটাল পলি আনস্যাচুরেটেড০.০০১ গ্রাম
ক্যাফেইন৪০ mg

কীভাবে ব্ল্যাক কফি তৈরি করবেন ?

ব্ল্যাক কফি তৈরি করা খুবই সহজ। এর জন্য দরকার একটি ভালো ব্র্যান্ডের কফি, যার স্বাদ ও গন্ধ বের কড়া। এবার জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন –

উপকরণ

  • ১ কাপ জল
  • ১/২ টেবিল চামচ কফি পাউডার
  • ১ টেবিল চামচ ব্রাউন সুগার

কীভাবে তৈরি করবেন

  • কফি পাউডার একটি কাপে ঢেলে নিন।
  • একটি পাত্রে ভালো করে জল ফুটিয়ে নিন।
  • জল ফুটে গেলে সামান্য জল কফির কাপে ঢেলে নিন।
  • কফি জলে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
  • কফি ভালো করে মিশে গেলে তাতে বাকী জল মিশিয়ে নিন।
  • স্বাদ বাড়াতে তাতে ব্রাউন সুগার মেশাতে পারেন।

এবার জেনে নিন ব্ল্যাক কফি খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি।

ব্ল্যাক কফি খাওয়ার সঠিক সময়

বিশেষজ্ঞদের মতে, কফি খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় হতে পারে সকাল ৯:৩০ থেকে ১১:৩০ টার মধ্যে, যখন বেশিরভাগ মানুষের কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) স্তর কম থাকে। যেমনটা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ক্যাফেইন গ্রহণের ফলে কর্টিসল বেড়ে যেতে পারে। কর্টিসলের বর্ধিত মাত্রা শরীরের নানা ক্ষতি করতে পারে (২০)। ব্ল্যাক কফি উপকারিতা পেতে অবশ্যই সঠিক মাত্রায় এবং সঠিক সময় খাওয়া জরুরি। প্রয়োজনে এ বিষয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

ব্ল্যাক কফি কোথায় কিনবেন ?

ব্ল্যাক কফি সাধারণ কফি থেকেই তৈরি করা হয়। তবে কফি কেনার সময় অবশ্যই দেখে কিনুন। বিশ্বস্ত দোকান থেকে কিনুন। কফি কেনার সময় ব্র্যান্ডের কথা মাথায় রাখুন। সবসময় সুপরিচিত এবং জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের কফি বেছে নেওয়া ভালো। তাতে কফির সর্বাধিক সুবিধা লাভ করতে পারবেন।

ব্ল্যাক কফির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ব্ল্যাক কফি উপকারিতা যেমন রয়েছে তেমনই এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। কফিতে প্রচুর মাত্রায় ক্যাফেইন থাকে। এটি যদি অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করা হয় তাহলে নিম্নলিখিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি দেখা দিতে পারে (৫)।

  • হার্টবিট বেড়ে যেতে পারে।
  • উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
  • ঘুম কম হতে পারে।
  • বমি বমিভাব হতে পারে।
  • অস্তির বোধ করতে পারেন।
  • ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা হতে পারে।
  • উপরের অসুবিধাগুলির পাশাপাশি ক্যাফেইনের অত্যধিক মাত্রা কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) বাড়িয়ে তোলে, যা মানসিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে (৭)।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী :

সারাদিনে কতটা ব্ল্যাক কফি খাওয়া উচিত?

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সারাদিনে ৪০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ক্যাফেইন নিরাপদ। মোটামুটি দিনে চার কাপ কফি খেতে পারেন।

কফি কি আপনাকে মোটা করে দিতে পারে?

কফি ওজন বাড়ায় না। কফি পরিপাকে সাহায্য করে এবং খিদে নিয়ন্ত্রণে রাখে, ওজন কমাতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত কফি খেলে, ঘুম কমে যেতে পারে।

আমরা কি খালি পেটে ব্ল্যাক কফি খেতে পারি?

কফি স্টমাক অ্যাসিডের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় তবে তা হজমে কোনও সমস্যা করে না। সুতরাং, খালি পেটে ব্ল্যাক কফি খাওয়াতে কোনও অসুবিধা নেই।

ব্ল্যাক কফি কী পেটের ফ্যাট কমাতে পারে?

ক্যাফেইন মেটাবলিক রেট বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং ফ্যাট কমাতে পারে তবে তা স্বল্প সময়ের জন্য। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর এই প্রভাব আর দেখা দেয় না। তবে এটি খিদে কমিয়ে দেয়, আপনাকে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে সাহায্য করে।

20 sources

Stylecraze has strict sourcing guidelines and relies on peer-reviewed studies, academic research institutions, and medical associations. We avoid using tertiary references. You can learn more about how we ensure our content is accurate and current by reading our editorial policy.
Was this article helpful?

LATEST ARTICLES

scorecardresearch