ব্রাহ্মী শাকের উপকারিতা, ব্যবহার এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – Brahmi Benefits, Uses and Side Effects in Bengali

by

বাঙালির ভাতের পাতে শাক থাকা কিন্তু মাস্ট। আর সেই শাকের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হল ব্রাহ্মী শাক। সুস্বাদ তো বটেই পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এর জনপ্রিয়তা প্রচুর।

ব্রাহ্মী হল এক ধরনের লতা জাতীয় শাক। বৈজ্ঞানিক নাম ব্যাকোপা মনিয়েরি। এটি হচ্ছে প্লান্টাগিনাসি পরিবারের একটি উদ্ভিদ। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে যুগ যুগ ধরে এর ব্যবহার চলে আসছে। ছোট গাছ, কাণ্ড এবং পাতা রসালো। ফুল বেগুনি শ্বেতাভ। ভেজা এবং স্যাঁতস্যাঁতে মাটিতে এই শাক বেশি বৃদ্ধি পায়। লতার প্রত্যেকটি গাঁট থেকে শিকড় বের হয়। কাণ্ড খুব নরম এবং রসযুক্ত হয়। পাতা আধা ইঞ্চি বা আরও একটু বড় হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে নানা ঔষধি গুনাগুণ। স্বরভঙ্গ, বসন্তরোগ, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে, শিশুদের কফ ও কাশির মতো সমস্যা দূর করার পাশাপাশি নানাভাবে শারীরের উপকার করে।

ব্রাহ্মী শাকের স্বাস্থ্যগুণ

ব্রাহ্মী শাক প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিন রয়েছে। এছাড়াও ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস ও ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ ব্রাহ্মী শাক শরীরের নানা উপকার করে। এবার জেনে নিন সেগুলি কী কী –

  • অ্যালজাইমার রোগের লক্ষণ কমায় 

ব্রাহ্মীতে ব্যাকোসাইড নামক বায়োকেমিক্যাল থাকে। যা মস্তিষ্কের কোষেদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং মস্তিষ্কের নতুন টিস্যু তৈরি করে। স্বাভাবিকভাবে বয়সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্রেন পাওয়ার কমে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়, একইভাবে কগনিটিভ ফাংশন কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে (১)

  • রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে 

রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে ব্রাহ্মী শাক হল অন্যতম প্রাকৃতিক ঔষধি। অতিরিক্ত চিন্তাভাবনার কারণে অনেক সময় রক্তচাপ বেড়ে যায়। হঠাৎ ব্লাডপ্রেসার বেড়ে যাওয়ার কারণে বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। যাদের হাই ব্লাড প্রেসারের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত ব্রাহ্মী শাক খান (২)

  • মানসিক দুশ্চিন্তা এবং উদ্বেগ কমায় 

মানসিক দুশ্চিন্তা এখন সাধারণ একটি সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ছোট থেকে বড়, যে কোনও পেশার মানুষ নানা কারণে মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন। যার থেকে পরবর্তীকালে ডিপ্রেশবের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। মানসিক দুশ্চিন্তা এবং উদ্বেগ কাটিয়ে ওঠার অন্যতম দাওয়াই হল ব্রাহ্মী শাক (৩)। গবেষণায় প্রমাণিত, ব্রাহ্মী শাক মস্তিষ্কের ভিতরের স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির জন্ম দেওয়া কর্টিজল হরমোনের ক্ষরণ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্রাহ্মী শাক খেলে মানসিক অশান্তি দূর তো হয়ই, পাশাপাশি মনের হারিয়ে যাওয়া আনন্দ ফিরে আসে।

  • ক্যানসার প্রতিরোধ করে 

ব্রাহ্মী শাকের মধ্যে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যা শরীর থেকে ক্ষতিকারক উপাদান বার করে দেয় এবং ক্যানসার সেলের জন্ম আটকায়। শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ক্যানসারের মতো মারণরোগ থেকে দূরে থাকতে রোজ খান ব্রাহ্মী শাক (৪),(৫), (৬)

  • গাঁটের ব্যথা কমায় 

ব্রাহ্মী শাকের মধ্যে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি-ইনপ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে, যা পিঠের ব্যথা, পেশির যন্ত্রণা এবং মাথা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। শরীরের উপর অ্যানালজেসিক প্রভাবের কারণে, ক্ষতিগ্রস্ত জায়গায় ব্রাহ্মী অয়েল লাগালে কিছুক্ষণের মধ্যে ব্যথা কম হবে (৭)

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় 

ব্রাহ্মী শাক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকরী। কারণ এই শাকের মধ্যে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি রয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ব্রাহ্মী শাক খান। দেখবেন কোনওরকম অসুখ-বিসুখ আপনার ধারে কাছেও ঘেঁষবে না (৮)

  • ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে 

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ব্রাহ্মী শাক খুব উপকারী। এর মধ্যে উপস্থিত উপাদানগুলি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। সেইসঙ্গে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে (৯)

  • হজমের সমস্যা কমায় 

ব্রাহ্মী শাক হল একাধিক গুণমানসম্পন্ন প্রাকৃতিক ওষুধ। এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান গ্যাস ও হজমের সমস্যা দূর করে (১০)। যারা গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা ভুগছেন, তারা নিয়মিত ব্রাহ্মী শাক খান। এর মধ্যে উপস্থিত শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরে প্রবেশ করে আলসার সৃষ্টিকারী এইচ.পাইলোরি ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং আলসারের মতো রোগের আশঙ্কা কমায় (১১), (১২)

  • মৃগী রোগের চিকিৎসা করে 

হাজার হাজার বছর ধরে মৃগীরোগের চিকিৎসায় ব্রাহ্মী শাকের ব্যবহার চলে আসছে। মৃগীরোগের পাশাপাশি অন্যান্য মানসিক রোগ যেমন, নিউরালজিয়া এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডারের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্রাহ্মী খুব উপকারী (১৩)

  • শ্বাসযন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে 

ব্রাহ্মী শাকের পাতা চিবিয়ে অথবা চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায় তাহলে এটি শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় এর ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। নাক বন্ধ, ব্রঙ্কাইটিস, সাইনাস এবং সর্দিকাশির মতো সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে দারুণ কাজ দেয় ব্রাহ্মী শাক। জমে থাকা অতিরিক্ত শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে এবং শ্বাস নালী ও গলায় জ্বালা-ষন্ত্রণা নিমেষে কমিয়ে দিতে পারে (১৪)

  • শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে 

ব্রাহ্মী শাক প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যা কোষের ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে। কোষের এই ক্ষতির জন্য দায়ী ফ্রি রেডিকেলস। গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্রি রেডিকেল দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি অনেক দীর্ঘস্থায়ী অবস্থার সঙ্গে যুক্ত, যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসার (১৫)

  • একাগ্রতা বাড়ায় 

বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি এবং একাগ্রতা বাড়াতে অনেকে ব্রাহ্মী শাক খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে যুগ যুগ ধরে ব্রাহ্মী শাকের ব্যবহার হয়ে আসছে। সেইসঙ্গে একাগ্রতা বাড়াতেও এটি দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে (১৬)

  • অন্যান্য অসুস্থতা কমায় 

গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রাহ্মী শাকের মধ্যে একাধিক উপকারী উপাদান উপস্থিত, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র নিউরো ট্রান্সমিটারের কর্মক্ষমতা বাড়াতে শুরু করে। ফলত এপিলেপসির মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেইসঙ্গে নানান শারীরিক সমস্যা দূরে রাখে (১৭)

  • ত্বকের যত্ন 

ত্বকের যত্নে ব্রাহ্মী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ত্বকের মেলানিন পিগমেন্টকে উন্নত করে, জমে থাকা টক্সিন বের করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় (১৮), । ব্রণর সমস্যা দূর করে। একজিমা, সোরিয়াসিস, আলসারেশন, ফোড়া এবং কুষ্ঠরোগের মতো ত্বকের নানান সমস্যার হাত থেকে নিস্তার পেতে নিয়মিত ব্রাহ্মী শাক খান (১৯),(২০)

  • চুলের যত্ন 

চুলের বৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে (২১)। স্কাল্পে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায় এবং চুলের বৃদ্ধি ঘটায় । এর বায়োকেমিক্যাল উপাদান টাক পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে। নিয়মিত ব্রাহ্মী শাক খেলে আপনার চুল হবে ঘন এবং লম্বা। চুলের শুষ্কভাব, খুশকি, ডগা ফাটার মতো সমস্যা রোধ করে (২২)

ব্রাহ্মী শাক কীভাবে ব্যবহার করবেন ?

অনেকে ব্রাহ্মী শাকের রস খান, কেউ কেউ আবার রান্না করেও খান। আপনি চাইলে নিম্নলিখিত উপায়েও ব্রাহ্মী শাক ব্যবহার করতে পারেন –

১. ব্রাহ্মী ফ্রেস জুস 

  • ২-৪ টেবিলচামচ ব্রাহ্মি ফ্রেস জুস নিন।
  •  তাতে সমপরিমাণে জল মিশিয়ে দিনে একবার খাবার খাওয়ার আগে মিশ্রণটি খান।

২. ব্রাহ্মী চূর্ণ 

  • ১/৪-১/২ চামচ ব্রাহ্মী চূর্ণ নিন।
  • মধুর সঙ্গে মিশিয়ে লাঞ্চ বা ডিনারের আগে খেয়ে নিন।

৩. ব্রাহ্মী ক্যাপসুল 

  • ১-২ ব্রাহ্মী ক্যাপসুল নিন।
  • দুধের সঙ্গে মিশিয়ে লাঞ্চ বা ডিনারের আগে খেয়ে নিন।

৪. ব্রাহ্মী ট্যাবলেট 

  • ১-২ ব্রাহ্মী ট্যাবলেট নিন।
  • দুধের সঙ্গে মিশিয়ে লাঞ্চ বা ডিনারের আগে খেয়ে নিন।

৫. ব্রাহ্মী কোল্ড ইনফিউশন 

  • ৩-৪ চামচ ব্রাহ্মী কোল্ড ইনফিউশন নিন।
  • জল অথবা মধু মিশিয়ে লাঞ্চ বা ডিনারের আগে খেয়ে নিন।

৬. ব্রাহ্মী পেস্ট ও গোলাপ জল 

  • ১/২-১ চামচ ফ্রেস ব্রাহ্মী পাতার পেস্ট নিয়ে তাতে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ৪-৬ মিনিট রেখে দিন তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • সপ্তাহে ১-৩ বার এই মিশ্রণটি ব্যবহার করতে পারেন।

৭. ব্রাহ্মী অয়েল

  • ১/২-১ চামচ ব্রাহ্মী অয়েল নিন।
  • স্কাল্প এবং চুলে আলতো হাতে ম্যাসাজ করে নিন। সপ্তাহে ১-৩ বার এর ব্যবহার করতে পারেন।

ব্রাহ্মী শাকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ব্রাহ্মী শাক নিরাপদ। তবে সাধারণত যে সমস্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি দেখা দেয় সেগুলি হল, এটি বাওয়েল মুভমেন্ট বাড়ায়, পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব, মুখ শুকিয়ে যায় এবং ক্লান্তি ভাব আসে (২৩)

বিশেষ কিছু সতর্কতা

  • গর্ভাবস্থা এবং বুকের দুধ খাওয়ালে : গর্ভবতী অথবা যারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন তাদের উপর এর কোনও প্রভাব রয়েছে কিনা সে বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এইসময় নিরাপদ থাকতে ব্রাহ্মী শাক না খাওয়ায় ভালো।
  • স্লো হার্ট রেট : ব্রাহ্মী হৃৎস্পন্দনকে কমিয়ে দিতে পারে। যাদের হৃদযন্ত্রের ধীর গতি আছে তাদের ক্ষেত্রে ব্রাহ্মী শাকের অতিরিক্ত ব্যবহার সমস্যা ডেকে আনতে পারে।
  • গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট ব্লকেজ : এর থেকে অন্ত্রের মধ্যে কনজেশন হতে পারে। যাদের অন্ত্রে ব্লকেজ আছে তাদের জন্য ব্রাহ্মী ক্ষতিকারক হতে পারে।
  • আলসার : ব্রাহ্মী পেট এবং অন্ত্রের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি আলসারের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • ফুসফুসের সমস্যা : ব্রাহ্মী ফুসফুসে তরল পদার্থের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এর কারণে হাঁপানি বা এম্ফিসেমার মতো সমস্যা ভোগাতে পারে।
  • থাইরয়েড ডিসঅর্ডার : ব্রাহ্মী হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনার যদি থাইরয়েড থাকে তাহলে ব্রাহ্মী শাক এড়িয়ে চলুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

ব্রাহ্মী কী নিরাপদ?

সাধারণত ব্রাহ্মী শাক নিরাপদ। কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেমন বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা এবং ডায়ারিয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। গর্ভবতী মহিলাদের এড়িয়ে চলা ভালো।

ব্রাহ্মী কী স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে?

ব্রাহ্মী অন্যতম একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা বুদ্ধি এবং একাগ্রতা বাড়ায়। এটি মনকে উদ্দীপিত করে এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে যুগ যুগ ধরে আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় এর ব্যবহার চলে আসছে।

ব্রাহ্মী শাক কাজ করতে কতক্ষণ সময় নেয়?

স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারে তেমন একটা কার্যকর বলে মনে হয় না, তবে ১২ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে এর ব্যবহার উপকারিতা লক্ষ্য করা যায়।

আমি কি অশ্বগন্ধা ও ব্রাহ্মী একসঙ্গে নিতে পারি?

হ্যাঁ, আপনি অশ্বগন্ধা ও ব্রাহ্মী একসঙ্গে নিতে পারেন। এই মিশ্রণটি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। হজমের সমস্যা দূর করে।

23 References

Stylecraze has strict sourcing guidelines and relies on peer-reviewed studies, academic research institutions, and medical associations. We avoid using tertiary references. You can learn more about how we ensure our content is accurate and current by reading our editorial policy.

Was this article helpful?
The following two tabs change content below.
scorecardresearch