ত্বক পরিচর্যায় গোলাপ জলের উপকারিতা | Rose Water benefits in Bengali

by

প্রাচীন যুগ থেকেই ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে গোলাপ জলের ব্যবহার হয়ে আসছে। রানী ক্লিওপেট্রাও নিজের রূপচর্চায় অন্যতম উপাদান হিসেবে গোলাপ জল ব্যবহার করতেন। তাছাড়াও বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন সাজগোজ মেকাপের সময় অন্যতম একটি অপরিহার্য উপাদান হলো গোলাপজল। প্রাকৃতিক ভাবে তৈরী এই উপাদানটি আমাদের ত্বকের নানান সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। ত্বকের কালচে ভাব, শুষ্কতা, রোদে পোড়া দাগ, ঠোঁটে কালো দাগ এ সমস্ত কমাতে, ত্বককে এক্সফেলিয়েট করে উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। একনাগাড়ে কসমেটিক প্রোডাক্ট ব্যবহার করারর ফলে আপনার ত্বকে তার খারাপ প্রভাব লক্ষ্য করতে পারবেন। কিন্তু গোলাপজল দিনকে দিন আপনার ত্বককে সুস্থ, সুন্দর এবং উজ্জ্বল করে তুলবে। এছাড়াও গোলাপ জলের স্বর্গীয় সুবাস ত্বককে সুন্দর করার পাশাপাশি মনেও যেন এক আলাদা প্রভাব বিস্তার করে। আসুন দেখে নিন কিভাবে গোলাপজল দিয়ে নিজের ত্বককে আরও সুন্দর করে তুলবেন ()।

ত্বকের যত্নে গোলাপ জলের উপকারিতা

ত্বকের যত্নে বিভিন্নভাবে গোলাপজল সহায়তা করে থাকে। গোলাপ জলের পাশাপাশি গোলাপের পাপড়িগুলোও আমাদের ত্বক পরিচর্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। অন্যান্য ব্যয় বহুল ত্বক পরিচর্যাকারি উপাদানের তুলনায় গোলাপজল সস্তা হলেও এর বহুগুণ রয়েছে, যা ত্বককে সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করে। আসুন দেখে নিন ত্বকের যত্নে কিভাবে গোলাপ জলের ব্যবহার করা যায়।

১. ত্বককে টোনিং করতে সহায়তা করে গোলাপ জল

আমাদের ত্বকে প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে গোলাপজল। এটি ত্বকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য প্রদান করে থাকে। গোলাপের নির্যাস থেকে পাওয়া উপাদানগুলি ত্বককে ভেতর থেকে মসৃন নরম এবং উজ্জ্বল করে তোলে ()।

২. ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য রক্ষায় গোলাপ জলের ভূমিকা

মুখের যত্নে গোলাপ জলের ব্যবহার অন্যতম একটি মুখ্য বিষয়। এটি ত্বককে অভ্যন্তরীণভাবে সুস্থ-সুন্দর থাকতে সহায়তা করে। মূলত আমাদের ত্বকের পিএইচ মাত্রা ৪.১ থেকে ৫.৮। সে ক্ষেত্রে গোলাপ জলের মধ্যে ৪.০ থেকে ৪.৫ পিএইচ মাত্রা রয়েছে। যার ফলে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ত্বকের যেকোনো ধরনের জ্বালা কিংবা লালচে ভাব এর পরিমাণ কমাতে, ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে গোলাপজল সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও ত্বকের ফোলা ভাব কমাতে এটি সহায়তা করে। এছাড়াও ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে () (৩)

৩. ব্রণ দূর করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

দিন দিন আমাদের পরিবেশ দূষণ যেভাবে বেড়ে চলেছে সে ক্ষেত্রে তার প্রভাব আমাদের ত্বকেও পড়তে দেখা যাচ্ছে। যার ফলে ব্রণ ও ফুসকুড়ি এসমস্ত সমস্যাগুলি নিয়মিত লেগেই রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে গোলাপ জলের মধ্যে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদানগুলি থাকায় এটি ব্রণ কম করতে এবং ব্রণের দাগ দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। গোলাপ জলের মধ্যে থাকা গোলাপে এমন কিছু ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা ত্বককে জীবাণুমুক্ত রাখতে সহায়তা করে।

৪. ত্বককে আর্দ্র রাখতে গোলাপ জলের ভূমিকা

ত্বক সুস্থ আর্দ্র থাকুক এটা আমরা সকলেই চাই। সেক্ষেত্রে গোলাপ জলের ব্যবহার অপরিহার্য। এর মধ্যে থাকা উপাদান গুলি ত্বককে ভেতর থেকে আর্দ্রতা প্রদান করে থাকে। গোলাপ জলের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান গুলি ত্বককে সুস্থতা দান করে এবং এর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি ত্বককে ভেতর থেকে আর্দ্র করে তুলতে সহায়তা করে।

৫. ত্বকের ফোলা ভাব কমাতে গোলাপ জলের ব্যবহার

অনেক সময় মুখের ত্বকে কিংবা চোখের তলায় এক ধরনের ফোলা ভাব দেখা যায়, যা হঠাৎ করে দেখতে খারাপ লাগে। এক্ষেত্রে ত্বককে ঠান্ডা ভাব প্রদান করে ফোলা ভাব কমাতে সহায়তা করে গোলাপজল। মূলত এটি ত্বকের কোষগুলোকে সংকুচিত করতে সহায়তা করে। যার ফলে ত্বকের জ্বালা-যন্ত্রণা কম হয় এবং ত্বক ভেতর থেকে মসৃন হয়ে ওঠে। মূলত সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে গোলাপজল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গোলাপজল সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

৬. বার্ধক্যজনিত ছাপ দূর করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

হঠাৎ কোনও রোগ ভোগের পড়ে কিংবা অত্যধিক মেকআপ ব্যবহারের ফলে অকালেই ত্বক ঝুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ত্বকের বয়স আটকানোর জন্য অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো গোলাপজল। ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তোলে। গোলাপ জলের মধ্যে থাকা উপাদানগুলি ত্বককে সতেজ রাখে এবং ত্বকের বার্ধক্য কম করতে সহায়তা করে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান গুলি এবং ভিটামিন সি ত্বকের বয়স কম করতে সহায়তা করে।

৭. ত্বক পরিষ্কার করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

ত্বক পরিষ্কার করার জন্য আমরা যেকোন ধরনের ক্লিনজার ব্যবহার করে থাকি। তবে সব থেকে ভালো প্রাকৃতিক ক্লিনজার হলো গোলাপজল। ত্বককে পরিষ্কার করার পাশাপাশি ত্বকের ভেতর থেকে ধুলো ময়লা বের করার, পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতা প্রদান করে থাকে। যা ক্লিনজার হিসেবেও কাজ করে। তাই অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে এসে মেকআপ তোলার সময় কিংবা সারা দিন বাদে রাতে শুতে যাবার সময় গোলাপ জল মুখে স্প্রে করে তারপরে তুলো দিয়ে ভালো করে মুছে নিল দেখতে পাবেন ত্বক থেকে যে ধরনের ময়লা বেরিয়েছে তার পাশাপাশি ত্বক মসৃণ এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। অন্যান্য ক্লিনজার ব্যবহার করার আগে অবশ্যই গোলাপ জল ব্যবহার করুন।

৮. রোদে পোড়া ভাব দূর করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

গ্রীষ্মকালীন দেশে থাকার কারণে রোদে পোড়া দাগ বা ট্যানের সমস্যা আমাদের সকলেরই রয়েছে। কারও কম, কারও বেশি। এক্ষেত্রে ব্যয়বহুল কোন উপাদান ব্যবহার না করে গোলাপ জলের মাধ্যমে প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগাতে পারেন। এটি ত্বককে ঠান্ডা রাখতে এবং রোদে পোড়া দাগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মূলত গোলাপজল ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করতে সহায়তা করে ()।

৯. চোখের পাশে কালো দাগ দূর করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

সারাদিন একনাগাড়ে কম্পিউটারে কাজ কিংবা একনাগাড়ে টিভি দেখা অথবা শরীরে হরমোনের হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে আমাদের চোখের চারপাশে এক ধরনের কালো দাগ দেখা যায়, যা একবার হয়ে গেলে সহজে কমতে চায় না। যে কারণে আমরা চিন্তায় পড়ে যাই এবং তা দেখতেও খারাপ লাগে। তবে আর চিন্তা কিসের? হাতের কাছেই রয়েছে গোলাপজল। এইটির সহায়তায় তাই সহজেই আপনি চোখের পাশের দাগ কমাতে পারবেন। যদিও চোখের চারপাশের অংশটি অত্যন্ত সংবেদনশীল, যার ফলে এই অংশে কিছু ব্যবহার করার আগে অবশ্যই তা যথাযথভাবে পরীক্ষা করে নেবেন। গোলাপজল প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ার ক্ষেত্রে চোখের পাশে ব্যবহার এর ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

১০. সংবেদনশীল ত্বকের যত্নে গোলাপ জলের উপকারিতা

কারো ত্বক শুষ্ক হয়, কারো ত্বক তৈলাক্ত হয়। তবে শুষ্ক এবং তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীদের যতটা সতর্ক থাকতে হয় তার থেকে বিপাকে পড়তে হয় সংবেদনশীল ত্বক যাদের রয়েছে তাদের। কেননা সব রকম প্রোডাক্ট তাদের ত্বকে সহ্য হয় না। যার ফলে হিতে বিপরীত হয়ে যায়। তবে এক্ষেত্রে গোলাপজল প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় এটি টোনার, ক্লিনজার হিসাবে সংবেদনশীল ত্বকে অনায়াসে ব্যবহার করা যায়। কেননা এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান গুলি ত্বকের সমস্যা ভেতর থেকে দূর করে ত্বককে সুস্থ এবং উজ্জ্বল করে তোলে।

গোলাপ জলের অন্যান্য উপকারিতা

ইতিমধ্যেই আমরা জেনে নিয়েছি ত্বক পরিচর্যায় কিভাবে গোলাপজল সহায়তা করে থাকে। তবে ত্বকের পাশাপাশি চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে ও গোলাপজল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে। যা চুলকে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও গোলাপজল চুলের শুষ্কতা এবং চুলের সমস্যা থেকে কীভাবে মুক্ত করে আসুন জেনে নিন। দেখুন কীভাবে চুলের পরিচর্যায় গোলাপজল সহায়তা করে থাকে।

১. চুলের রুক্ষতা কমাতে গোলাপ জলের ব্যবহার

একটা সুস্থ, সুন্দর চুলের স্বপ্ন আমাদের সকলেরই থাকে। কিন্তু সেটি যদি হয় রুক্ষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত তাহলে কার ভালো লাগে বলুন তো। সে কারণে এবার চুলের পরিচর্যায় গোলাপ জল ব্যবহার করুন। চুলকে যদি উজ্জ্বল করে তুলতে চান তাহলে আপনি যে শ্যাম্পুর ব্যবহার করেন তার সাথে সমপরিমাণ গোলাপজল মিশিয়ে মাথার চুলে লাগান। তারপর শ্যাম্পু করুন। চুল ধুয়ে ফেলার পর আবার গোলাপজল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এরপরে চুল আর মুছবেন না। ওরকম ভাবেই শুকোতে দিন। এতে চুলের পিএইচ ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং চুল উজ্জ্বল হবে।

এর পাশাপাশি আপনি যদি চুলের ডগা ফাটার সমস্যায় ভুগে থাকেন সেক্ষেত্রে গোলাপ জলের মধ্যে কয়েক ফোঁটা জোজোবা তেল এবং একটা ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে চুলের ডগায় স্প্রে করুন। এবার ভালো করে ম্যাসাজ করে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন। এই প্রক্রিয়াটি প্রত্যেকদিন করতে পারেন। তাহলে দেখবেন খুব শীঘ্রই আপনার চুলের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

২. চোখ পরিচর্যায় গোলাপ জলের ব্যবহার

ইতিমধ্যেই আমরা জেনে গিয়েছি গোলাপজল প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় এটি আমাদের রূপচর্চায় কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। তবে এটি চোখ পরিচর্যা তেও সমানভাবে সহায়তা করে থাকে। চোখ শরীরের অন্যতম একটি সংবেদনশীল জায়গা। যেখানে ভেবেচিন্তে যেকোনো জিনিস ব্যবহার করতে হয়। তবে এক্ষেত্রে সহজেই গোলাপ জল ব্যবহার করা যেতে পারে চোখের ফোলা ভাব কমাতে কিংবা চোখের পাশে কালো দাগ কমাতে। চোখ পরিষ্কার করতে কিংবা চোখের পাতা সুন্দর করতে গোলাপ জলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গোলাপজল কে বিভিন্ন প্যাক হিসেবে বানিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

চোখের ডার্ক সার্কেল থাকলে সে ক্ষেত্রে রাতে শুতে যাওয়ার আগে তুলোয় করে গোলাপ জল নিয়ে চোখের চারপাশে ভাল করে লাগিয়ে শুতে যেতে হবে। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে নিন।

চোখের ফোলা ভাব থাকলেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। এভাবেই গোলাপ জলের মাধ্যমে চোখকে আরো সুন্দর করে তুলতে পারবেন।

ত্বকের যত্নে কিভাবে গোলাপ জল ব্যবহার করবেন?

ইতিমধ্যেই আমরা জেনে গিয়েছি গোলাপজল আমাদের কোন কোন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। বলা যায় ত্বক পরিচর্যার এবং মুখের যত্নে অন্যতম একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হলো গোলাপজল। ত্বককে সুন্দর সুস্থ এবং সুরক্ষিত রাখতে গোলাপ জলের জুড়ি মেলা ভার। আসুন জেনে নিন এবার কি পদ্ধতিতে গোলাপজল কে ব্যবহার করলে আপনিও একটা সুন্দর ত্বকের অধিকারী হয়ে উঠবেন।

১. টোনার হিসেবে গোলাপ জলের ব্যবহার

আমাদের মুখের ত্বকে গোলাপজল প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে। সংবেদনশীল ত্বক, তৈলাক্ত ত্বক, শুষ্ক ত্বক প্রত্যেক ধরনের ত্বকেই গোলাপ জল তার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী কাজ করে থাকে। দৈনিক দুবার করে যদি গোলাপ জলকে টোনার হিসেবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার আগে যদি ব্যবহার করা যায় সে ক্ষেত্রে ত্বক পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল হয়। জেনে নিন তাহলে কিভাবে টোনার হিসেবে ব্যবহার করবেন।

উপকরণ

  • গোলাপজল – ৩০ মিলি
  • গ্লিসারিন – ৫ মিলি
  • আপেল সিডার ভিনিগার – ৫ মিলি

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

একটি বোতলের মধ্যে আধা কাপ জল দিয়ে তার মধ্যে কয়েকটি জাফরান এবং কিছুটা গোলাপজল মিশিয়ে মিশ্রণটি সংরক্ষণ করতে পারেন। যখন মুখ ধোবেন তারপর মুখে স্প্রে করে তুলো দিয়ে ভালো করে মুছে নেবেন।

  • যাদের শুষ্ক ত্বক তারা গ্লিসারিন ৫ মিলি এবং গোলাপজল ৩০ মিলি মিশিয়ে মুখ ধোয়ার পর মুখে লাগিয়ে নেবেন।
  • যাদের সংবেদনশীল ত্বক তারা গ্লিসারিন ৫ মিলি, আপেল সিডার ভিনিগার ৫ মিলি, গোলাপজল ৩০ মিলি মিশিয়ে মুখ ধোবার পরে লাগিয়ে নেবেন।
  • যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা আপেল সিডার ভিনিগার ৫ মিলি এবং গোলাপজল ৫০ মিলি মিশিয়ে মুখ পরিষ্কার করে স্প্রে করে নেবেন।
  • ময়েশ্চারাইজার হিসেবে গোলাপ জলের ব্যবহার করতে পারেন। গোলাপজল অত্যন্ত ভালো ময়েশ্চারাইজার। আমরা প্রাচীন যুগ থেকেই এর ব্যবহার এবং এর গুনাগুন
  • সম্পর্কে জেনে এসেছি। প্রাচীন যুগে রাজরানী দের রূপ সৌন্দর্যের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল গোলাপজল। তাহলে আপনি আজ থেকে গোলাপ জল কে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করুন। তাহলে জেনে নিন কিভাবে ব্যবহার করবেন। ()

উপকরণ

  • ১ টেবিল-চামচ – ভার্জিন নারকেল তেল
  • ৩ টেবিল চামচ – গোলাপ জল

কিভাবে তৈরি করবেন?

১ টেবিল-চামচ ভার্জিন নারকেল তেলের সাথে ৩ টেবিল চামচ গোলাপজল ভালো করে মিশিয়ে সেটি আপনার পরিষ্কার ত্বকে ভালো করে ম্যাসাজ করবেন। এক্ষেত্রে নারকেল তেল আপনার ত্বককে আর্দ্র এবং কোমল করতে সহায়তা করবে। এবং গোলাপজল ত্বককে সতেজ রাখতে এবং শুষ্কতা কাটিয়ে তুলতে সহায়তা করবে।
তবে যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা নারকেল তেল ব্যবহার করবেন না।

রোদে পোড়া দাগ তুলতে গোলাপ জলের ভূমিকা আছে। ট্যান এমন একটি সমস্যা যা রুপ সৌন্দর্য কে নষ্ট করার জন্য যথাযথ। তাই আমরা যারা বাইরে বেরোই কিংবা খুব বেশি সময় ধরে রোদে থাকি তাদের ট্যান হওয়ার সমস্যা কোন নতুন বিষয় না। কিন্তু এই ট্যান তুলতে আমাদের নাজেহাল অবস্থা হয়। এখানেও গোলাপজল আমাদের ট্যান তুলতে সহায়তা করবে। আসুন তাহলে জেনে নিন কিভাবে গোলাপ জল দিয়ে ট্যান তুলবেন।

উপকরণ

  • বেসন – এক চামচ
  • গোলাপ জল – ২ টেবিল চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

  1. 1 টেবিল-চামচ বেসনের সাথে ২ টেবিল চামচ গোলাপজল ভালোভাবে মিশিয়ে নেবেন। প্রয়োজনে আরো কিছুটা গোলাপজল মিশ্রণে দিতে পারেন, যতক্ষণ না মিশ্রণটা খানিকটা হাল্কা হচ্ছে। এরপর মিশ্রণটা তৈরি হয়ে গেলে পরিষ্কার মুখে মিশ্রণটি লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর উষ্ণ গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে তিন বার এটি করুন। দেখবেন খুব শীঘ্রই রোদে পোড়া দাগ, ট্যান, সানবার্নের মত সমস্যাগুলি থেকে মুক্তি পাবেন।
  2. ত্বকের থেকে রোদে পোড়া ভাব বা ট্যান তোলার জন্য গোলাপ জলের পাশাপাশি অন্যতম একটি উপাদান হলো তুলসী। এটি গোলাপ জলের সাথে মিশ্রিত হয়ে ত্বককে পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। কেননা এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উপাদানগুলি ত্বকে রোদে পোড়া ভাব কমিয়ে ত্বকের লালচে ভাব এবং চুলকানি কমিয়ে ত্বককে সুস্থ এবং সুন্দর করতে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে ২০০ মিলি গোলাপ জলের সাথে দশ-পনেরোটা তুলসী পাতা ভালো করে কুচি কুচি করে মিশিয়ে স্প্রে বোতলে রেখে কয়েক ঘণ্টা ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। এরপর রোদে পোড়া জায়গাটিতে এটি প্রত্যেকদিন স্প্রে করুন। দেখবেন খুব শীঘ্রই হাতেনাতে ফলাফল পাবেন।
  3. ব্রণের সমস্যা দূরীকরণে গোলাপ জলের উপকারিতা আছে। রোজকার পরিবেশ দূষণ ও খাওয়া-দাওয়ার অনিয়মের কারণে আমাদের ত্বক দূষিত হয়। আমাদের ত্বক অতিরিক্ত তেল মুখ থেকে যখন বের করে দিতে চায় তখনই ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। এটা কোনো নতুন সমস্যা নয়। এই সমস্যার সম্মুখীন আমরা ভারতীয় নারীদের অধিকাংশই। তবে সঠিকভাবে যদি এর পরিচর্যা করা যায় তবে এই ব্রণের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। আসুন জেনে নিন কিভাবে তাহলে গোলাপ জলের সাহায্যে ব্রণের হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

উপকরণ

পাতি লেবুর রস – ১ চা চামচ
গোলাপজল – ১ চা চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

১ চা চামচ পাতিলেবুর রস এর সাথে ১ চা চামচ গোলাপজল ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি ব্রন আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি আপনার ত্বককে এক্সফলিয়েট করতে সহায়তা করবে। এছাড়া গোলাপজল ত্বককে ঠান্ডা করতে সহায়তা করবে। এছাড়াও গোলাপ জলের মধ্যে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান গুলি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়তা করবে।

৫) ত্বক পরিষ্কার করতে গোলাপ জলের ভূমিকা

আমরা জানি দৈনিক দুবার করে ত্বক ক্লিনজিং করতে লাগে, তাহলেই একটা সুস্থ সুন্দর উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী হওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে কোনও কেমিক্যাল প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে যদি গোলাপ জল ব্যবহার করা যেতে পারে তবে আপনার ত্বক প্রকৃতির সংস্পর্শে আরো সুন্দর হয়ে উঠবে। তাহলে জেনে নিন গোলাপজল কে কিভাবে ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করে আপনার ত্বককে পরিষ্কার করবেন।

উপকরণ

  • ১ টেবিল চামচ – গোলাপজল
  • একটি – ভিটামিন ই ক্যাপসুল
  • ১ টেবিল চামচ – চালের গুঁড়ো

কিভাবে তৈরি করবেন?

গোলাপজল, চালের গুঁড়ো এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর ভেতরের নির্যাসটি একসাথে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন এবং এটি দিনের শুরুতে এবং রাতে শুতে যাবার সময় মুখে লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষে ঘষে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। দেখবেন আপনার ত্বক পরিষ্কার হবে এবং ভেতর থেকে ময়লা বের করতে সক্ষম হবে।

৬) ত্বককে এক্সফলিয়েট করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

আমাদের ত্বক সাত দিন অন্তর অন্তর ত্বকের কোষগুলো পরিবর্তন ঘটায় অর্থাৎ নতুন কোষ তৈরি করে। যার ফলে ত্বকের উপরিভাগে মৃতকোষগুলো জমা হয়। সেগুলি যদি পরিষ্কার না করা হয় সে ক্ষেত্রে ত্বক যথাযথ অক্সিজেন নিতে পারে না। যার ফলে নতুন কোষ তৈরি করতে পারে না। এজন্য ত্বককে পরিষ্কার করতে বা ত্বকের এক্সফোলিয়েশন এর জন্য অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো গোলাপজল। তাহলে জেনে নিন কিভাবে গোলাপ জলের সাহায্যে ত্বকের এক্সফোলিয়েশন করবেন।

উপকরণ

  • ১ টেবিল চামচ – মুলতানি মাটি
  • ২ টেবিল চামচ – গোলাপজল

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটির সাথে ২ টেবিল চামচ গোলাপজল ভালোভাবে মিশিয়ে আপনার মুখে লাগিয়ে নিন। কয়েক মিনিট সেটি মুখে রাখার পর আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করার পর কিছুক্ষণ রেখে দিন যতক্ষণ না প্যাকটি আপনার মুখে শুকিয়ে যাচ্ছে। শুকিয়ে গেলে পরে হালকা ঘষে পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

৭) ঠোটের কালো দাগ দূর করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

ত্বকের যে কোন কালচে দাগ দূর করতে গোলাপ জল একটি অনবদ্য উপাদান। এটি ত্বকের সেই অংশকে আর্দ্রতা প্রদান করে সুন্দর নরম করে তোলে। তাহলে দেখে নিন গোলাপজলের সহায়তায় আপনার সুন্দর ঠোঁটকে কিভাবে আরো গোলাপি এবং নরম করে তুলবেন।

উপকরণ

  • গোলাপের পাপড়ি : আট-দশটা
  • গোলাপ জল ১ চা চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

গোলাপের পাপড়ি গুলোকে রোদে শুকিয়ে নিয়ে ভালো করে গুঁড়ো করে নিন। এবার সেগুলোর মধ্যে 1 চা চামচ গোলাপজল যুক্ত করে একটি ভালো মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি আপনার ঠোঁটে 15 মিনিটের জন্য লাগিয়ে রেখে দিন। তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দৈনিক স্নানের আগে এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন, সাত দিনেই আপনার ঠোঁটের রঙ পরিবর্তন দেখতে পারবেন।

৮) ত্বক উজ্জল করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

ত্বকে যদি বাড়তি উজ্জ্বলতা দেখতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে বাড়তি কিছু পরিচর্যা তো করতেই হবে। আর অবশ্যই তা হবে গোলাপ জলের সাথে। কেননা গোলাপজল আমাদের হাতের কাছে থাকা একটি সহজলভ্য এবং সস্তার উপাদান, যেটি সকলেই ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে জেনে নিন কিভাবে গোলাপ জলের সাহায্যে আপনার ত্বককে আরও উজ্জ্বল করে তুলবেন ()।

উপকরণ

  • গোলাপজল ৩ টেবিল চামচ
  • মধু ২ টেবিল চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

  1. ৩ টেবিল চামচ গোলাপ জল এর সাথে ২ টেবিল চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার পরিষ্কার মুখে মিশ্রণটি লাগিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে নিন। মধুতে রয়েছে এমন কিছু উপাদান যা ত্বকের আর্দ্রতা কে ত্বকের ভেতর থেকে সঞ্চয় করে। ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। এর পাশাপাশি গোলাপ জলের সাথে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলে তা শুষ্ক ত্বককে আরও মসৃণ করে তোলে এবং সুন্দর করে তোলে।
  2. ত্বককে উজ্জ্বল করতে গোলাপ জলের সাথে চন্দনের মিশ্রন ব্যবহার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে দুই টেবিল-চামচ চন্দনগুঁড়ো, তিন থেকে চার টেবিল চামচ গোলাপ জল এর সাথে ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণটি আপনার পরিষ্কার মুখে লাগিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না এটি শুকনো হচ্ছে ততক্ষন অপেক্ষা করুন। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চন্দন গুঁড়োর মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান গুলি থাকার কারণে এটি গোলাপ জলের সাথে মিশ্রিত হয়ে ত্বক উজ্জ্বল করে তুলতে সহায়তা করে ()।

৯) ত্বককে তরতাজা করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

আমাদের যেমন একটা বড় কাজের চাপ এর পর একটা রিফ্রেশমেন্ট দরকার হয়, তেমনি দীর্ঘদিন ধরে মেকআপ, ত্বকে কেমিক্যাল প্রোডাক্ট ব্যবহার এসবের পর ত্বকেরও কিছুটা রিফ্রেশমেন্ট প্রয়োজন হয়। অন্যথায় ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে গোলাপজল কে ব্যবহার করতে পারেন ত্বককে ভেতর থেকে তরতাজা করে তোলার জন্য। জেনে নিন তাহলে কিভাবে গোলাপ জলের ব্যবহার করবেন।

উপকরণ

  • শসার রস – চার টেবিল চামচ
  • মধু – দুই টেবিল চামচ
  • গোলাপজল – এক টেবিল চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

গোলাপজল, শসার রস এবং মধু মিশিয়ে ভালো করে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পরিষ্কার ত্বকে লাগিয়ে 15 মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই প্যাকটি আপনি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক আরও তরতাজা এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

১০) ত্বকের কালো ছোপ দূর করতে গোলাপ জলের ব্যবহার

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিংবা ব্রণ ফুসকুড়ির কারণে আমাদের মধ্যে অনেকের ত্বকেই কালো দাগ ছোপ হয়ে যায়। সেটা দেখতে অনেকটা চাঁদের কলঙ্কের মতই লাগে যখন পরিষ্কার মুখে কোন ব্রণের দাগ ওঠে। তবে আপনাকে খুব বেশি ভাবতে হবে না। আপনার হাতের কাছে থাকা গোলাপজল দিয়েই এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। জেনে নিন কিভাবে গোলাপ জল কে মুখের কালো ছোপ তুলতে ব্যবহার করবেন ()।

উপকরণ

  • গোলাপজল – ১ টেবিল চামচ
  • অ্যালোভেরা জেল – ১ টেবিল চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

১ টেবিল চামচ গোলাপ জল এর সাথে এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ভাল করে মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে মুখ পরিষ্কার করে এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কুড়ি মিনিট রেখে দিন এবং তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রত্যেকদিন রাতে যদি এটি করতে পারেন তাহলে সাত দিনের মধ্যেই তফাৎটা বুঝতে পারবেন। অ্যালোভেরা জেল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন হওয়ায় এবং দাগ দূরীকরণে সহায়তা করায় গোলাপ জলের সাথে মিশে এটি ত্বককে আরও সুন্দর করে তোলে।

বাড়িতে কিভাবে গোলাপ জল তৈরি করবেন?

একটি কাচের পাত্রে পরিষ্কার জল নিয়ে তারমধ্যে দুটো গোটা গোলাপের পাপড়ি দিয়ে সারাদিন ভিজিয়ে রাখুন। এবার মিশ্রণটি সারারাত বাইরে রেখে দেওয়ার পর, পর দিন যখন দেখবেন জলের রং পরিবর্তন হয়েছে তখন কাঁচের জারে গোলাপের পাপড়ি দিয়ে এটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখুন। ৬ মাস পর্যন্ত এটি ভালোভাবে থাকবে।

ইতিমধ্যেই আমরা আজকের নিবন্ধ থেকে গোলাপ জলের বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে জেনে গিয়েছি। যদিও গোলাপজল আমাদের কাছে কোনও নতুন রূপচর্চার উপাদান নয়, যা আমাদেরকে জানিয়ে দিতে হবে বা শিখিয়ে দিতে হবে। তবে গোলাপ জলের উপকারিতা সম্পর্কে হয়তো আমরা অনেকেই জানি না বা গোলাপ জল কি কি কাজে ব্যবহৃত করা যায় সেটা হয়তো আমাদের সবার ঠিকমতো জানা থাকতে নাও পারে। সে কারণেই আজকের এই নিবন্ধ। যাতে আপনারা সহজেই জানতে পারেন গোলাপ জল কিভাবে আমাদের রূপচর্চায় ব্যবহার করা যেতে পারে। তাহলে আর অপেক্ষা কিসের সুন্দরের পিপাসু তো আমরা সকলেই, তবে আজ থেকেই আপনার রূপচর্চায় গোলাপজল কে স্থান দিয়ে দিন। আর গোলাপ জল ব্যবহার করে আপনারা কেমন আছেন সেটা অবশ্যই আমাদেরকে জানাবেন।

8 sources

Stylecraze has strict sourcing guidelines and relies on peer-reviewed studies, academic research institutions, and medical associations. We avoid using tertiary references. You can learn more about how we ensure our content is accurate and current by reading our editorial policy.
Was this article helpful?
scorecardresearch