প্রতিদিন গরম জল খান? জেনে নিন এর উপকারিতা এবং ক্ষতিকারক দিকগুলি – Hot Water Benefits in Bengali

by

জলই জীবন, সেই ছোটোবেলা থেকে এই কথাটা আমরা সবাই শুনে আসছি। খাবারের পাশাপাশি আমাদের শরীরের দরকার পর্যাপ্ত জল। কিন্তু আপনি কি জানেন ঠান্ডা জলের চেয়ে গরম জল খাওয়ার গুণ অনেক? হ্যাঁ, প্রতিদিন গরম জল খাওয়ার বেশ কিছু উপকারিতা হয়েছে। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে একগ্লাস গরম জল আপনাকে দিতে পারে গ্যাস-অম্বলের মতো নানা সমস্যা থেকে মুক্তি। মানসিক দুশ্চিন্তা মুক্ত করতে পারে। তবে জল কতটা গরম করে খাবেন সেদিকে নজর রাখতে হবে। জলের উষ্ণতা ৪৮-৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতেই হবে। আজকের এই প্রতিবেদনে গরম জল খেলে কী কী উপকার পাবেন সে সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

গরম জল আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী?

গরম জল খাওয়ার সবচেয়ে ভালোদিক হল এটি হজমশক্তিকে উন্নত করে। গরম জল আপনাকে দিতে পারে নাক বন্ধ, সর্দি, কাশির মতো সমস্যা থেকে মুক্তি। এছাড়াও দুশ্চিন্তা দূর করে। সেইসঙ্গে এটি খাদ্যনালীর স্বাস্থ্যকেও উন্নত করে। আসুন জেনে নিন গরম জল খাওয়ার উপকারিতা –

. ওজন কমায় : আপনি ওজন কমানোর জন্য দিনরাত কসরত করছেন, তাহলে শুনুন রোজ গরম জল খান। হাতে নাতে ফল পাবেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যে ঠান্ডা জলের তুলনায় গরম জল পাকস্থলীতে একটু বেশি সময় থাকে। তার মানে আপনি দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিপূর্ণ বোধ করতে পারবেন যা ওজন কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়াও গরম জল খেতে শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট জমতে পারে না। গরম জল অ্যাডিপোস টিস্যু বা ফ্যাট ভেঙে ফেলে যা ওজন কমানোর জন্য সহায়ক (1)

. হজমশক্তি এবং কোষ্ঠকাঠিন্য : গরম জল পরিপাক প্রক্রিয়াকে আরও সক্রিয় করে তোলে। হজমশক্তি উন্নত করে। গরম জল রক্তনালীগুলিকে প্রশস্ত করে এবং আপনার অন্ত্রের দিকে রক্ত প্রবাহকে নির্দেশিত করে। যা হজম প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে তোলে। আপনি যখন খাওয়ার পর গরম জল খান তখন তাপমাত্রা চর্বি জমতে দেয় না এবং সহজে হজম করে (তবে আপনি যদি গ্যাস্ট্রিক রিফ্লক্সে ভুগছেন তবে খাওয়ার আগে এবং পরে অতিরিক্ত জল খাবেন না কারণ এতে গ্যাস্ট্রিক রসগুলি হজম প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তোলে, ফলত এটি রিফ্লাক্সের কারণ হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, উষ্ণ গরম জল হজম শক্তি উন্নত করার পাশাপাশি পেট পরিষ্কার রাখে (2)। এটি কোষ্যকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করতে পারে।

. সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা নাক বন্ধ : যারা প্রায়ই সর্দি, গলা ব্যথার মতো সমস্যায় ভোগের তাদের জন্য গরম জলের বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, গরম জল রেসপিরেটারি ট্রাককে পরিষ্কার রাখে। ঠান্ডা লাগা এবং গলা ব্যথার সময় যে অস্বস্তি হয় তা কিছুটা হলেও প্রশমিত করে (3)। সেইসঙ্গে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যাও কমে।

গরম জল ঠান্ডা এবং ফ্লুর বেশিরভার লক্ষণগুলি থেকে মুক্তি দিতে দারুণ কাজ দেয় (4)

. রক্ত সঞ্চালন : শরীরে রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে না হলে হাজারও সমস্যা হাজির হতে পারে। গরম জল সেক্ষেত্রে বেশ উপকারী। গরম জল খেলে শরীরের ব্লাড ভেসেলস চওড়া হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয় (5)। প্রত্যেকটি নার্ভ সচল থাকে, মাংশপেশিতে কোনও চাপ পড়ে না। সবমিলিয়ে শরীর সুস্থ  থাকে।

. পিরিয়ডের সমস্যা : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে গরম জল বেশ কার্যকরী। গরম জল খাওয়ার ফলে অ্যাবডোমিনাল মাসলস এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে যন্ত্রণা কিছুটা হলেও লাঘব হয়। হট ব্যাগ ব্যবহার করলেও সুফল পেতে পারেন (6)। এছাড়া যাদের অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা রয়েছে, তারাও নিয়ম করে গরম জল খান। সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

. খিদে বাড়ায় : খাবার খাওয়ার পর গরম জল খেলে খাবার খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়। যেমনটা আগেই উল্লেখিত, গরম জল হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। স্বাভাবিকভাবেই সঠিক সময়ে খিদেও অনুভব করতে পারবেন।

. প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : গরম জলকে প্রাকৃতিক ইমিউনিটি বুস্টার হিসেবে গণ্য করা হয়। অবশ্য এর পিছনে যথার্থ কারণও রয়েছে। অসুস্থতা এবং জ্বরের সময় শরীর হাইড্রেট রাখতে বেশি করে জল খেতে বলা হয়। যাতে শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন এবং ব্যাক্টেরিয়া, যেগুলি অসুস্থতার কারণ সেগুলি বেরিয়ে যায়। সেইসঙ্গে শরীরে সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে, মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করে। শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

. শরীর থেকে টক্সিন বের করে : ক্ষতিকারক টক্সিন শরীরে জমলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে গরম জল বেশ উপকারী। গরম জল খেলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। তখন প্রচণ্ড ঘাম হয়। ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে টক্সিনগুলি বেরিয়ে যায়। গরম জলে সামান্য লেবু মিশিয়ে খেলে আরও ভালো ফল পাবেন।

টক্সিনের মাত্রা বাড়তে থাকলে অকালেই শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে পারে। গরম জল খেলে সহজে বয়সে ছাপ পড়তে দেয় না।

. দুশ্চিন্তা মুক্ত : নিয়মিত গরম জল খেলে তা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।  সেইসঙ্গে মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। একটি গবেষণা অনুযায়ী, গরম জলের সঙ্গে গরম দুধ মিশিয়ে খেলে তা স্ট্রেস দূর করতে আরও কার্যকরী (7)। তবে মনে রাখা দরকার যে দুধ এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য শ্লেষ্মা তৈরিতে উৎসাহ দেয়। তাই এটি স্ট্রেস কমালেও নাক বন্ধ, ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে।

১০. অ্যাকালেসিয়া : অ্যাকালেসিয়া এর নাম খুব একটা শোনা যায় না। এটি বিরল হলেও গুরুতর অবস্থা যা খাদ্যনালীকে ক্ষিতগ্রস্ত করে। সাধারণত অন্ননালীর পেশী একবার সংকুচিত আর একবার প্রসারিত হয় পেটের ভিতর খাবার ঠেলে পাঠানোর জন্য। যাকে পেরিস্টালসিস বলা হয়। খাদ্যনালীর নীচের ভাগটা পেটের সঙ্গে যুক্ত থাকে একটি বৃত্তাকার পেশী ভাল্ব বা কবাটিকা (লোয়ার ইসোফিগাল স্পিঙ্কটার), এটি প্রসারিত হয় যাতে খাবার পেটে ঢুকতে পারে। অ্যাকালেসিয়া এই প্রক্রিয়ায় ব্যঘাত ঘটায়। খাদ্যনালীর বেশী সঠিকভাবে সংকুচিত এবং প্রসারিত হতে পারে না। ফলত নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, গরম খাবার ( সঙ্গে জলও) ইসোফিগালের নীচের অংশকে শিথিল করে এবং এই সমস্যায় উপকার দেয় (8)

অন্য একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, গরম জল অ্যাকালেসিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণগুলি সারিয়ে তোলে। গরম জল সাধারণ তাপমাত্রার এবং ঠান্ডা জলের তুলনায় লোয়ার ইসোফিগাল স্পিঙ্কটারে অনেক তাড়াতাড়ি প্রবেশ করে (9)

অন্য আরেকটি গবেষণায় প্রমাণিত যে ৮৮% রোগী গরম জল খাওয়ার বুকে ব্যথায় আরাম পেয়েছেন (9)

অন্যদিকে, ঠান্ডা জল অ্যাকালেসিয়া আক্রান্ত রোগীদের লক্ষণগুলি বাড়িয়ে তুলেছে এমনটাও দেখা গেছে (10)

১১. ব্যথা কমায় : গরম জল যে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং রক্ত প্রবাহকে উন্নত করে তা আমরা আগেই জেনেছি। যদিও গরম জল খাওয়ার ফলে সরাসরি ব্যথা কমে সে বিষয়ে কোনও গবেষণায় প্রমাণিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

তবে অনেকেই হাঁটুর বা পায়ের গাঁটে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে গরম জলের সেঁক নেন।  এটি সাময়িকভাবে ব্যথা কমালেও তা দীর্ঘস্থায়ী নয়। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

১২. ত্বকের সুস্বাস্থ্য : সারাদিনে অল্প অল্প করে গরম জল খান, এর সুফল পাবেন। অন্যান্য সমস্যা দূর করার পাশাপাশি গরম জল ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করে। ত্বককে ভিতর থেকে সুন্দর এবং সুস্বাস্থ্যকর করে তোলে। দাগ-ছোপ দূর করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। নিয়মিত গরম জল খেতে আপনার সৌন্দর্য এবং উজ্জ্বলতাও বাড়বে।

১৩. চুলের সুস্বাস্থ্য : গবেষণায় দেখা গেছে গরম জল খেলে হেয়ার সেলের কর্মক্ষমতা বাড়ে। ফলস্বরূপ চুল পড়া কমে। এছাড়াও খুশকি, চুলে শুষ্কভাব দূর করতে সাহায্য করে। তবে হ্যাঁ, গরম জল দিয়ে কখনও চুল পরিষ্কার করবেন না, তাতে চুলের কোমলতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। চুল আরও শুষ্ক হয়ে যাবে।

গরম জল ভাইস-ভারসা ঠান্ডা জল

ঠান্ডা জলের কিছু উপকারিতা রয়েছে, বিশেষ করে যখন আপনার দেহের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। আপনি যখন শরীরচর্চা বা কাজকর্ম করছেন তখন শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে, সেইসময় ঠান্ডা জল খাওয়া উপকারী। আবার যখন কোনও প্রচণ্ড গরম জায়গায় ঘুরতে যান যেখানে প্রচুর রোদ গায়ে লাগে, তখনও ঠান্ডা জল ভালো কাজ করে।

ঠান্ডা জল খেলে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকে ফিরে আসে। শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। গরম জল খেলে কিন্তু এই উপকারিতা পাবেন না।

উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলি বাদ দিলে, গরম জল সবসময়ই খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলি খেয়াল রাখতে হবে।

গরম জল খেলে কী কী ক্ষতি হতে পারে?

গরম জল মানে এই নয় যে ফুটন্ত জল খেয়ে মুখ পোড়াবেন। জল গরম করে ঠান্ডা হতে দিন। হালকা উষ্ণ জল খান। খুব বেশি গরম জল খেলে আপনার খাদ্যনালী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তখন আপনি কোনও কিছু খেলে স্বাদ পাবেন না।

ফুটন্ত জল খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। গরম জল খাওয়ার আগে এক চুমুক দিয়ে দেখে নিন সেটা খাওয়া খাবে কিনা। জল গরম করা সময় খেয়াল রাখবেন জলের উষ্ণতা যেন ৪৮-৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে।

আয়ুর্বেদ চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, নিয়মিত একগ্লাস গরম আপনাকে দিতে পারেন নানান সুবিধা। এটি হজম শক্তি বাড়ায় এবং শরীর থেকে বর্জ্য পর্দার্থ দূর করতে সাহায্য করে (11)। তবে আপনি যদি গরম আবহাওয়া বসবাস করেন তাহলে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে গরম জল না খাওয়াই ভালো।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত কিছু প্রশ্নাবলী

আমি যদি প্রতিদিন গরম জল খাই তাহলে কী হবে?

গরম জল হজমে সাহায্য় করে। দিনের শুরুতে গরম জল খেলে আরও ভালো ফল পাবেন। খাওয়ার পর গরম জল খেলে তা জটিল ফ্যাট ভেঙে দেয় এবং শরীরে ফ্যাট জমতে দেয় না। সেইসঙ্গে শরীরে বাড়তি বেদ জমবে না এবং ওজন বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

গরম জল কখন খাওয়া উচিত?

আপনি আপনার ইচ্ছেমতো সময়ে গরম জল খেতে পারেন। তবে সকালে খালি পেটে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরম জল খেলে এর সবচেয়ে বেশি সুফল পাবেন। তাছাড়া সারাদিনে অল্প অল্প করে গরম জল খাওয়া যেতেই পারে।

গরম জল কীভাবে পেটের মেদ কমাতে পারে?

পর্যাপ্ত জল গ্রহণ শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং পরিপাক প্রক্রিয়া উন্ন করে। রোজ সকালে একগ্লাস গরম জল আপনাকে পেটের মেদ এবং ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে।

গরম জল কী কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে?

সারাদিন খাওয়াদাওয়ার পর আমাদের শরীরে ফ্যাট এবং টক্সিন জমা হয়। সেক্ষেত্রে গরম জল বেশ উপকারী। সকালে গরম জল খেলে এটি শরীর কিডনিতে জমা টক্সিন শরীর থেকে বের করে। ফলত কিডনিতে স্টোনের মতো সমস্যা এড়াতে পারবেন।

গরম জল কীভাবে ওজন কমাতে পারে?

বিশেষজ্ঞদের মতে গরম জল মেটাবলিজম বাড়ায় এবং শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম জলে সামান্য মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেলে আরও ভালো ফল পাবেন।

গরম জল কী ত্বকের জন্য ভালো?

গরম জল খাওয়া ত্বকের জন্য উপকারী। ত্বকের দাগ-ছোপ, ব্রণ, ফুসকুড়ি দূর করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়। তবে ত্বকের উপর কখনও খুব বেশি গরম জল দেবেন না, প্রয়োজনে হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুতে পারেন।

রাতে জল খাওয়া কী খারাপ?

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে জল খাওয়ার বেশিকিছু উপকারিতা রয়েছে। তবে জল খেয়েই শুলে পড়লেন এমনটা কিন্তু করবেন না। তাতে ভালোর চেয়ে খারাপই হতে পারে। এটি ঘুম নষ্ট করতে পারে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ডিহাইড্রেশন এড়াতে সারাদিন পর্যাপ্ত জল খান এবং রাতে অতিরিক্ত জল খাওয়া এড়িয়ে চলুন। ডিহাইড্রেশনের একটি লক্ষণ হল গাঢ় রঙের প্রস্রাব।

11 Sources

11 Sources

Was this article helpful?
The following two tabs change content below.
scorecardresearch