হামের (মিসেলস) কারণ, লক্ষণ বা উপসর্গ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি | Measles Symptoms and Treatment

by

ঋতু পরিবর্তণের সাথে সাথে আবহাওয়ারও পরিবর্তণ হয়। স্বভাবতই এরফলে বৃদ্ধি পায় ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি। আবহাওয়ার পরিবর্তণের কারণে যেসব ভাইরাস ঘটিত অসুখের সংক্রমণ ঘটে তার মধ্যে অন্যতম পরিচিত একটি অসুখ হলো হাম। অত্যন্ত সংক্রামক অসুখ এই হাম। বেশ কিছু ক্ষেত্রে এটা সংক্রামক হয়ে ওঠে। তাই উপসর্গ গুলি জেনে নিয়ে সময়মত এই অসুখের চিকিৎসা করা প্রয়োজন। আলোচ্য প্রবন্ধে আমরা এই ভাইরাস সংক্রমিত অসুখ হাম নিয়ে বিশদে আলোচনা করবো। শুধু সংক্রমিত ব্যক্তির বিষয়েই নয় একইসাথে এই রোগের উপসর্গ, এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কেও আলোচনা করা হবে।

তবে রোগের উপসর্গ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করার আগে জেনে নেওয়া দরকার এই রোগটি আসলে কী।

হাম রোগ আসলে কী ?

ভাইরাস সংক্রমণের ফলে এই হাম রোগের জন্ম হয়। খুব সহজেই এই রোগ একজন ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিদের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগে সারা শরীরে লাল লাল দানার আকারে ফুসকুড়ি দেখতে পাওয়া যায়। প্রথমে এই ফুসকুড়ি মাথায় দেখতে পাওয়া যায় পরবর্তীতে সারা শরীরে ছড়িতে পোরে। ইংরিজিতে হামকে মিসেলস বা রুবেওলা নামে অভিহিত করা হয়। (1)

হাম রোগের কারণ কী?

হামের কারণ গুলি হলো নিম্নরূপ – (2)

  • হাম যাকে মিসেলস নামেও অভিহিত করা হয়, এটা মূলত ভাইরাসের সংক্রমণের ফলেই সৃষ্টি হয়।
  • যদি কোনো ব্যক্তি ইতিমধ্যে এই অসুখের আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে তাঁর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও এই অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা তৈরী হয়।
  • এই অসুখে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির সংস্পর্শে এসে বা রোগীকে স্পর্শ করলেও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

হামের উপসর্গ বা লক্ষণ গুলি কী কী?

এবার এই রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ গুলির বিষয়ে জেনে নেওয়া দরকার। এই রোগের উপসর্গ গুলি ৩ – ৫ দিনের মধ্যে দেখা যায়। হামের উপসর্গ গুলি হলো যথা –

  • মাংস পেশীতে ব্যথা
  • সর্দি কাশি
  • জ্বর
  • মুখ গহ্বরে ছোট সাদা দাগ
  • চোখ লাল হয়ে যাওয়া
  • গলা ব্যথা

হাম রোগের সংক্রমণের ঝুঁকি কী কী –

এখানে এমন কিছু অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্পর্কে আলোচনা করা হবে যেগুলি হাম রোগে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। এবার দেখে নেওয়া যাক কাদের ক্ষেত্রে এই রোগে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভবনা অধিক হয়। (3) (4) (5)

  • ৫ বছরের কম বেশি শিশু
  • ২০ বছরের কম বয়সী যুবা সম্প্রদায়
  • গর্ভবতী মহিলা
  • ইতিমধ্যে কোনো জটিল অসুখে আক্রান্ত হয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দূর্বল হয়ে গেছে এমন ব্যক্তি।
  • যাদের শৈশবে হাম প্রতিরোধক টীকা দেওয়া হয়নি।
  • পরিযায়ী ব্যক্তি, যারা এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়ান।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে

ঘরোয়া উপায়ে হামের চিকিৎসা –

হাম রোগ খুবই বেদনাদায়ক একটি অসুখ, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে। তবে কতকগুলি ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করে হামের চিকিৎসা করা সম্ভব। নিম্নে এই বিষয়ে বিশদে আলোচনা করা হলো –

১। নিম পাতা – হামে আক্রান্ত হওয়ার ফলে শরীরে চুলকুনি হতে দেখা যায় যা এক ধরণের অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি করে। এই চুলকুনি শুধু যে শরীরে অস্বস্তি তৈরী করে তাই নয় একইসাথে ত্বকের সমস্যাও দেখা যায়। নিম পাতার ব্যবহার এই চুলকুনি নিরসনে উপকারী বলে মনে করা হয়। চুলকুনি উপশমে অল্প গরম জলে নিম পাতা যোগ করে সেই জলে রোগীকে স্নান করা যেতে পারে। নিমে রয়েছে ব্যকাটেরিয়া নাশক এবং প্রদাহরোধকারী বৈশিষ্ট্য যা রোগীকে হামের চুলকুনি থেকে আরাম দিতে সক্ষম। (6)

২। লেবুর জল – রোগী যদি তৃষ্ণার্ত হয় তাহলে তাকে লেমোনেড দেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও যদি রোগীর অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ফলে সর্দি গর্মি হয়ে থাকে তাহলে লিকার চায়ের সাথে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। তবে সবক্ষেত্রেই একটা কথা মাথায় রাখা দরকার যে ১২ মাসের কম বয়সী শিশুদের মধু সেবন করানো উচিৎ নয়। এবং ১২ মাসের বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে মধু সেবন করানোর পূর্বে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা দরকার। অনেক শিশুর আবার হামের সময় ভিটামিন এ এর প্রয়োজন হয়। লেবুতে ভিটামিন সি এবং এ রয়েছে যা রোগীর জন্য খুবই উপকারী হতে পারে। এছাড়াও ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। (7)

৩। ডাবের জল – রোগীকে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য ডাবের জল দেওয়া যেতে পারে। এটা ব্যবহার করলে শরীর আর্দ্র এবং শীতল থাকে। এছাড়া তুলো করে ডাবের জল আক্রান্তের শরীরে লাগালে আরাম পাওয়া যায়। চুলকুনি এবং জ্বালা যন্ত্রনার উপশম হয়। (8)

৪। হলুদ – হলুদ শুধুমাত্রা রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করে তাই নয় একইসাথে বহু শতাব্দী যাবত একটি ভেষজ পথ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। চোট আঘাত জনিত ব্যথা যন্ত্রনা নিরাময়ে, কারো ঠাণ্ডা লাগার কারণে শ্লেষ্মাধিক্য, ইত্যাদি ক্ষেত্রে হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে। একইরকমভাবে হলুদের ব্যবহার হাম রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও উপকারী বলে বলে মনে করা হয়। এই রোগ হলুদ এবং দুধ মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন এছাড়া চন্দনও যুক্ত করা যায়। একইসাথে সামাণ্য মধু ,হলুদ, এবং করোলা পাতার রস একসাথে মিশিয়ে সেবন করা যেতে পারে। তবে এই মিশ্রন সেবনে কষ্ট অনুভূত হলে জলের মধ্যে হলুদ এবং নিম পাতা মিশিয়ে সেটা ফুটিয়ে পান করা যেতে পারে। হলুদ অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিইনফ্লেমেটারি বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন হয় যা অনায়াসেই হাম বা মিসেলস প্রতিকারের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। (9) (10)

৫। ইষদোষ্ণ জল – যেহেতু মিসেলস বা হামে আক্রান্ত হওয়ার ফলে ঠাণ্ডা লেগে গলা ব্যথা হয় তাই অল্প গরম জল পান করলে গলা ব্যথা উপশম হয়। (11)

পুনশ্চঃ – উপরিক্তো উপাদান গুলির সাহায্যে ঘরোয়া উপায়ে হাম বা মিসেলসের নিরাময় করা যায় ঠিকই তবে কিছু ক্ষেত্রে জটিলতাও থাকতে পারে। সেই ক্ষেত্রে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা জরুরী।

তবে ঠিক কোন কোন সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার সেগুলিও জেনে নিতে হবে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা জরুরী –

রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির আগে সময়মত চিকিৎসকের পরাম্ররশ গ্রহণ করা জরুরী। এবার দেখে নেওয়া যাক কোন কোন ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা দরকার। (12)

  • শরীরে জ্বর সহ ত্বকে ফুসকুরি দেখা গেলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা দরকার। চিকিৎসক নিরীক্ষণ করে রোগের বিষয়ে নিশ্চিত করতে পারবেন।
  • শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে মনে হলে একটুও সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা দরকার।
  • গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে এই রোগে আক্রান্ত হলে সময়মত চিকিৎসার অভাবে গর্ভপাত পর্যন্ত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা দরকার।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা দরকার।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে
  • নিউমোনিয়া হলেও অবহেলা করা উচিৎ নয়।
  • ইন্সেফেলাইটিস বা মেনিঞ্জাইটিস আক্রান্ত হলে (প্রতি ১০ জন মানুষের মধ্যে ১ জনের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে।)
  • ইতিমধ্যে যদি হাম বা মিসেলস আক্রান্ত ব্যক্তি ক্যান্সা এবং এইচআইভি এর মতন মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

হাম বা মিসেলস রোগ নির্ণয় –

জ্বর বা সর্দি কাশি হলেই সেটা মিসেলস বা হাম মনে করার কোনো কারণ নেই। তবে সময় মতন রোগ নির্ণয় হওয়া দরকার। যাতে রোগের সঠিক চিকিৎসার ফলে রোগ মুক্তি ঘটে। রোগ নির্ণয় করার জন্য দরকারী উপক্ষেপ গুলি হলো যথা –

  • রক্ত পরীক্ষা
  • শারীরিক পরীক্ষা

হাম বা মিসেলসের চিকিৎসা পদ্ধতি –

সেইভাবে দেখলে এই অসুখের কোনো চিকিৎসা নেই। এমনকি এই অসুখে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক পর্যন্ত কাজ করে না, কারণ এটি ভাইরাস ঘটিত একটি রোগ। এই সময় শুধু দেখা দরকার আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর স্থিতিশীল রয়েছে কিনা। এখানে এই অসুখের চিকিৎসা সম্পর্কে কয়েকটি অবশ্য পালনীয় উপায় অবলম্বণের কথা বলা হচ্ছে। সেগুলি হলো নিম্নরূপ –

  • সব সময় শরীর শিথিল করে বিছানায় শুয়ে বিশ্রাম নেওয়া দরকার।
  • প্যারাসিটামল, শরীরে ব্যথা যন্ত্রণা কম করার ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
  • সংক্রমণ এড়াতে রোগীকে আলাদা একা একটা ঘরে রাখা দরকার।
  • কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হতে পারে।
  • কিছু কিছু শিশুর ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্টেরও প্রয়োজন হয়।
  • কিছু রোগীকে আবার অ্যান্টিবায়োটিক ও সেবন করতে দেওয়া হয়।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির ঘর আর্দ্রতা মুক্ত করে রাখা দরকার যাতে বাতাস শুষ্ক এবং পরিষ্কার থাকে।
  • রোগীকে বেশি পরিমানে তরল পানীয় দেওয়া দরকার।

এসব ছাড়াও রোগীর খাদ্য এবং পানীয় প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া দরকার যাতে রোগী দ্রুত সুস্থ্য হয়ে ওঠে।

হাম বা মিসেলস আক্রান্ত রোগীর কোন কোন খাদ্য গ্রহণ করা উচিৎ এবং কোন কোন খাদ্য গ্রহণ করা উচিৎ নয় –

যে সব খাদ্য গুলি গ্রহণ করা উচিৎ –

  • বেশি বেশি করে ফল এবং সবুজ শাক সবজি গ্রহণ করা দরকার।
  • বেশি পরিমাণে তরল পদার্থ যেমন জল, বিভিন্ন ফলের রস, তুলসী পাতা এবং লেবুর রস মিশ্রিত চা পান করা জরুরী।
  • স্যুপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
  • ভাতের ফ্যান অর্থাৎ বেশি জল দিয়ে চাল সেদ্ধ করার পর পাত্রে যে জল অবশিষ্ট থাকে তা পান করা যেতে পারে।
  • ডালিয়া বা বেশি সেদ্ধ করা ভাত খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে।
  • কম তেল মশলাযুক্ত হালকা খাবার খাওয়া উচিৎ।
  • এক সাথে অনেকটা পরিমাণে খাবার পরিবর্তে কিছু সময় অন্তর অল্প অল্প করে খাদ্য গ্রহণ করা জরুরী।

যেসব খাদ্য গুলি গ্রহণ করা উচিৎ নয় –

  • বাইরের কোনো রকম খাদ্য করা উচিৎ নয়।
  • ফ্যাট জাতীয় খাদ্য দ্রব্য গ্রহণ করা উচিৎ নয়।
  • ক্যাফিনযুক্ত খাদ্য পদার্থ সেবন করা অনুচিৎ।
  • তেলে ভাজা খাবার এবং বেশি মশলাযুক্ত খাবার পরিত্যাগ করা দরকার।
  • আইসক্রিম এবং চকোলেট গ্রহণ করা উচিৎ নয়।
  • একসাথে বেশি পরিমাণ খাবার এবং ভারী আহার গ্রহণ করা অনুচিৎ।

পুনশ্চ – যে কোনো রকমের খাদ্য গ্রহণের পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা দরকার। কারণ একমাত্র চিকিৎসকই রোগীর স্বাস্থ্যের অবস্থা অনুসারে খাদ্য তালিকা তৈরী করে দিতে পারেন।

মিসেলস বা হাম রোগ প্রতিকারের উপায় –

হাম প্রতিকারের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ গুলি হলো নিম্নরূপ – (13)

  • বাড়ির বাইরে থেকে ঘুরে আসার পর অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধোওয়া দরকার।
  • শৈশবে শিশুদের হাম প্রতিরোধক টীকাকরণ করা দরকার। ১৫ মাস বয়সের মধ্যে শিশুদের ১ বার এই টীকাকরণ এবং ৬বছর বয়সের মধ্যে আরেকবার হাম প্রতিরোধক টীকাকরণ করা প্রয়োজন।
  • এই টীকা গর্ভবতী মহিলারা এবং প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিরাও গ্রহণ করতে পারেন।
  • ইতিমধ্যে হাম আক্রান্ত হয়েছে এমন ব্যক্তির সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। কোনো কারণে এই দূরত্ব লঙ্ঘন হলে অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা দরকার।
  • রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এমন খাদ্য দ্রব্য গ্রহণ করা দরকার।

আশা করা যায় এই প্রবন্ধ পাঠকদের পর্যাপ্ত তথ্য প্রদান করে সহায়তা করতে পেরেছে। তবে উপরিল্লিখিত পদ্ধতিতে চিকিৎসার পরেও যদি রোগের প্রভাব হ্রাস না পায়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। কোনো রোগের অবহেলা করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক বলে মনে করা হয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী –

প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিরা কী হাম বা মিসেলস আক্রান্ত হতে পারে?

হ্যাঁ, প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিদেরও হাম বা মিসেলস আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

টীকাক্করণ হয়েছে এমন ব্যক্তিদের কী সংক্রমিত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে?

হ্যাঁ, সম্ভবনা রয়েছে। তবে সেই সম্ভবনার হার প্রতি ১০০ জনে ৩ জনের।

13 Sources

13 Sources

Was this article helpful?
The following two tabs change content below.
scorecardresearch