ফলসা ফলের উপকারিতা ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া | Phalsa Benefits and Side Effects in Bengali

Written by

এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই দায় যাঁর শরীরে কখনও কোনও রোগ বাসা বাঁধেনি। বিভিন্ন সময়েই তাঁরা কোনও না কোনও রোগে আক্রান্ত হন। আর রোগ হলেই আমরা বাধ্য হয়ে ছুটে যাই ডাক্তারের কাছে। কিন্তু তার বদলে যদি আমরা নিয়মিত ফল খাই, তাহলেই কিন্তু আমরা বিভিন্ন রোগ এবং শরীর সম্বন্ধীয় বিভিন্ন সমস্যার হাত থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারি।

এই ফলটির আকৃতি মূলত মটরের দানার মতো। এবার আমরা আপনাদের জানাব এই ফলের বিভিন্ন উপকারিতার বিষয়ে। এছাড়াও এই লেখায় আপনারা জানতে পারবেন ফলসা ফল সম্পর্কিত বিভিন্ন ছোট-বড় তথ্যও। ফলসা ফল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়তে থাকুন আমাদের এই প্রতিবেদনটি।
তাহলে চলুন, শুরুতেই আমরা জেনে নিই ফলসা ফল কী? তারপর আমরা আলোচনা করব ফলসা ফল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

ফলসা ফল কী?

মূলত গরম কালেই এই ফলসা ফল উৎপন্ন হয়ে থাকে। এই ফলটির আকৃতি বেশ ছোট। কাঁচা অবস্থায় এই ফলটির রঙ থাকে সবুজ। এবং পেকে যাওয়ার পর ফলটির রঙ হয় বেগুনী, লাল কিংবা গাঢ় বেগুনী। মূলত পাঞ্জাব এবং মুম্বইয়ের আশেপাশেই এই ফলটির চাষ বেশি হয়।আঙুরের সঙ্গে এই ফলের স্বাদে অনেকটা মিল আছে। অর্থাৎ এই ফলের স্বাদ খানিকটা টক-মিষ্টি ধরনের। ফলসা ফলের বৈজ্ঞানিক নাম গ্রেউইয়া এশিয়াটিকা (Grewia asiatica)। ()

এবার চলুন জেনে নিই এই ফলটির গুণাগুণ সম্পর্কে।

ফলসা ফলের উপকারিতা

এবার আমরা জানাব ফলসা ফলের উপকারিতা এবং এর গুণাগুণ সম্পর্কে।

১. আর্থারাইটিস বা বাতের সমস্যা থেকে রেহাই

বাতের ব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ফলসা ফল খেয়ে থাকেন। এই ফলে থাকে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ, যা বাতের ব্যথার কারণে পায়ের গিঁট ফুলে যাওয়া ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। একটি গবেষণা অনুযায়ী, ফলসা ফলের নির্যাসে অ্যান্টি-আর্থারাইটিস উপাদান থাকে। কারণ ওই নির্যাসে থাকে ফ্লেবোনাইডস, ফেনোলিক যৌগ ও ভিটামিন-সি।() এছাড়াও পায়ের গিঁটের ব্যথা কমাতে ফলসা গাছের ছালও ও ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. ক্যান্সার রোধে

ফলসা ফলে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এই উপাদানটি আমাদের শরীরে অ্যান্টি ক্যান্সার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। তাই বলা যেতেই পারে যে, ফলসা খেলে তা আমাদের ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী অসুখের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। বলা হয়, এই ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস আমাদের স্তন ও লিভার ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম।()

৩. ডায়াবেটিস বা মধুমেহ

ফলসা ফলের রসে থাকে লো-গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স। এটি আমাদের শরীরে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। আসলে লো-গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স যুক্ত খাবারে থাকা কার্বোহাইড্রেট আমাদের শরীরে খুব ধীরে ধীরে পরিপাক ঘটায়। ফলে আমাদের শরীরের গ্লুকোজ স্তর একেবারে বেড়ে যায় না। তাজা ফলসা ফলে থাকা পলিফেনলও ডায়াবেটিসের মোকাবিলায় খুব উপকারী।

৪. অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে

অ্যাজমা কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে ফলসা ফলের রস খুবই লাভজনক। ফলসা ফলে থাকা ফাইটোকেমিক্যালস উপাদান শ্বাস সম্বন্ধীয় সমস্যার উপশম ঘটায়। বিশেষ করে ফলসা ফলের রস যদি গরম করে তাতে আদা এবং গোলমরিচ মিশিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে তা শ্বাস সম্বন্ধীয় সমস্যা দূর করার কাজে সাহায্য করে। ()

৫. হাড় মজবুত করতে

ফলসা ফলে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। তাই এই ফল আমাদের হাড়ের মজবুতির জন্য খুব উপকারী। এটি আমাদের হাড়কে মজবুত করার পাশাপাশি হাড়ের ঘনত্ব অর্থাৎ বোন ডেন্সিটি বাড়াতেও ভীষণ সাহায্য করে।

৬. হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

ফলসা ফলে থাকা ফাইবার আমাদের হার্ট সম্পর্কিত (কার্ডিওভাসকুলার) রোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। ফলসা ফল ও এই ফলের রসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্ট সম্বন্ধীয় রোগের মোকাবিলায় উপকারী। এটি একটি লো-গ্লাইসেমিক যুক্ত খাবার, যা করোনারি হার্টের রোগ এবং মোটা হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৭. পেটে ব্যথা কমাতে সাহায্য

পেটে ব্যথা হলে তা রোধ করতেও অনেক ক্ষেত্রে ফলসা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আসলে এই ফলে ভরপুর মাত্রায় ফাইবার থাকে। তা আমাদের পেটে ব্যথা হলে দ্রুত উপশমে সাহায্য করে। তাই পেটে ব্যথা হলে আপনি এই ফল কিংবা ফলের রস খেলে উপকার পাবেন। এছাড়া ফলসা ফলে থাকে কুলিং এজেন্ট যা আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। তাছাড়া আমাদের খিদে বাড়াতে এবং খাবার হজম করাতেও এই ফল ভীষণ উপকারী।() তাই কখনও যদি আপনি পেটে ব্যথা, পেট গরম কিংবা হজমের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে তা ঠিক করতে ফলসা ভীষণ কাজে আসে।

৮. ডায়ারিয়া উপশমে

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডায়ারিয়া হলে ফলসা ফল খাওয়া ভীষণ উপকারী। ফলসা গাছের ছাল ডায়ারিয়া রুখতে কাজে লাগে। ফলসা ফলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম পাওয়া যায়, যা আমাদের ডায়ারিয়া থেকে রেহাই দেয়। ()

৯. ঘা উপশমে

আমাদের শরীরে দেখা দেওয়া ঘা উপশমেও ফালসা ভীষণ উপকারী। ঘা কিংবা একজিমা সারাতে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত জায়গায় ফলসা গাছের পাতা ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য ফলসা গাছের পাতা বেটে তা ত্বকে লাগান এবং কয়েক মিনিটের জন্য তা রেখে দিন। সেই সময়ে পাতার রস নিজের কাজ করা শুরু করা দেবে। আর যেহেতু ফলসায় ভিটামিন-সি থাকে, তাই তা আমাদের ঘা শুকোতে আরও বেশি সাহায্য করে। তাই বলা হয়ে যে, ঘা হলে সেই জায়গায় ফলসা গাছের পাতা বাটা লাগালে কিংবা ফলসা ফল খেলে- দুভাবেই এই সমস্যার সমাধান মেলে।

১০. অ্যানিমিয়া

ফলসা ফলে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। তাই এই ফল খেলে তা অ্যানিমিয়া উপশমে সাহায্য করে। এই ফলে থাকা আয়রন আপনার শরীরের লোহিত রক্ত কণিকা তৈরী করতে সাহায্য করে। শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার অভাব দেখা দিলে অ্যানিমিয়া হয়ে থাকে। অ্যানিমিয়া হলে মানুষ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং শরীরে আরও নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি হয়।
এতক্ষণে আপনি এই ফলটি খাওয়ার সমস্ত উপকারিতাই জেনে গিয়েছেন। এবার আমরা আপনাদের জানাব এই ফলের ব্যবহার ও তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে। তার আগে চলুন দেখে নিই এই ফলের পুষ্টিগুণ ও তার মাত্রা।

ফলসা ফলের পুষ্টিগুণ

এবার চলুন চোখ রাখা যাক এই ফলের পুষ্টিগুণের বিষয়টিতে। নীচের তালিকায় আমরা আপনাদের জানাব প্রতি ১০০ গ্রাম ফলসা ফলে কোন পুষ্টি কত পরিমাণ থাকে।(৪)

পুষ্টিগুণপ্রতি ১০০ গ্রামে কত মাত্রা
প্রোটিন১.৫৭ গ্রাম
ফুল ফ্যাট০.১ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেট২১.১ গ্রাম
অ্যাশ১.১গ্রাম
ফাইবার৫.৫৩ গ্রাম
ক্যালসিয়াম১৩৬ মিলিগ্রাম
আয়রন১.০৮ মিলিগ্রাম
ফসফরাস২৪.২ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম৩৭২মিলিগ্রাম
সোডিয়াম১৭.৩ মিলিগ্রাম
ভিটামিন-বি১০.০২ মিলিগ্রাম
ভিটামিন-বি২০.২৬৪ মিলিগ্রাম
ভিটামিন-বি৩০.৮২৫ মিলিগ্রাম
ভিটামিন-সি৪.৩৮৫মিলিগ্রাম
ভিটামিন-এ১৬.১১ গ্রাম

এত রকমের পুষ্টিগুণ থাকা সত্বেও ফলসা ফলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আমাদের শরীরে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে। তবে সেই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলি জানানোর আগে আমরা আপনাকে এর ব্যবহার সম্পর্কে জানাব।

ফলসা ফলের ব্যবহার

আপনি নিজের খাবারের তালিকায় বেশ কয়েকরকম ভাবে ফলসা ফলকে যোগ করতে পারেন। তার মধ্যে যেগুলি আপনার শরীরের জন্য উপকারী এবং আপনি ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারবেন এমন কিছু পদ্ধতির কথা আমরা আপনাদের জানাব।

  • সবচেয়ে সোজা পদ্ধতি হল ফল হিসেবেই ফলসা খাওয়া। এটি আকৃতিতে এত ছোট এবং নরম যে মুখে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আপনার মুখের মধ্যে মিশে যায়।
  • এছাড়া আরও একটি সোজা পদ্ধতি হল এই ফলের রস করে খাওয়া। আর স্বাদ বাড়ানোর জন্য আপনি তাতে সামান্য লেবুর রস এবং পুদিনা পাতাও দিতে পারেন।
  • ফলসার রসে সামান্য গোলাপ ফুলের পাপড়ি বা গুলকন্দ মিশিয়েও খেতে পারেন।
  • ফ্রুট স্যালাডে মিশিয়েও আপনি ফলসা খেতে পারেন।
  • এছাড়া আইসক্রিম, মিষ্টি পাঁউরুটি কিংবা অন্য কিছু বানানোর জন্য মিষ্টি সিরাপ তৈরি করতেও আপনি এই ফলসা ফল ব্যবহার করতে পারেন।
  • আপনি যে কোনও সময়ই ফলসা পরিমিত হারে খেতে পারেন।

ওপরের আলোচনা থেকে এতক্ষণে আপনি ফলসা সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনে গিয়েছেন। এবার শুধু যা জানার বাকি রইল তা হল, ফলসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী। কারণ যে কোনও খাবার খাওয়ার আগেই আপনার সেই খাবারের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে, তা জেনে রাখা উচিত। এবং তাতে আপনার কোনও ক্ষতি হতে পারে কিনা জেনেই তা খাওয়া উচিত।

ফলসার রস বা ব্ল্যাক কারেন্ট জুস কীভাবে বানাবেন?

ফলসার রস বা ব্ল্যাক কারেন্ট জুস বানানো যে শুধু সহজ তাইই নয়, বরং এর উপকারিতাও প্রচুর। এতক্ষণে আপনারা জেনেই গেছেন যে এই ফলে ভরপুর মাত্রায় থাকে ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। তাই ফল খাওয়ার পাশাপাশি আপনি আইস্ক্রিম, মিল্কশেক এমনকি কেক বানানোর সময়ও এই ফল ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে চলুন ভারতীয় এই বেরি দিয়ে আপনি কীভাবে টক-মিষ্টি সরবত বানাতে পারবেন তা দেখে নিই।

উপকরণ

ফলসা ফল- ২ কাপ
চিনি- ৫-৬ টেবল স্পুন
লেবুর রস- ৩ টেবল স্পুন
জল- পরিমাণ মতো

পদ্ধতি

  • প্রথমে একটি প্যানে ফলসা ফলগুলি ঢেলে নিন।
  • এরপর তাতে ৪-৫ গ্লাস জল মেশান এবং অল্প আঁচে তা ফুটতে দিন।
  • যতক্ষণ না পর্যন্ত ফলসা নরম হচ্ছে এবং আপনি চামচ দিয়ে তা ভালোমতো পিষতে পারছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো করে ফোটাতে থাকুন।
  • এরপর পুরো মিশ্রণটি একটি ছাকনিতে ঢেলে বীজগুলো আলাদা করে নিন।
  • এবার তাতে চিনি এবং লেবুর রস মেশান।
  • অল্প আঁচে আবার ফোটাতে থাকুন।
  • এরপর যখন মিশ্রণটি থকথকে হয়ে যাবে, তখন তা একটি পাত্রে ঢেলে রাখুন এবং সময়মতো পরিবেশন করুন।

কীভাবে ফলসা অনেকদিন পর্যন্ত ভালোভাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন?

বাজার থেকে কিনে আনার পর ফলসা ফল ভালোভাবে ধুয়ে, শুকিয়ে, বোঁটা ছিঁড়ে কোনও জিপলক ব্যাগে কিংবা এয়ারটাইট কোনও বাক্সে ভরে ফ্রিজে রাখলে ফলসা অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে।
আর ফলসার রস কোনও এয়ারটাইট পাত্রে ঢেলে ফ্রিজে রেখে দিলে তা প্রায় ১ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।
এবার চলুন জেনে নিই এই ফলের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে।

ফলসা ফলের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

ফলসা ফলের গুণাগুণ সম্পর্কে জানার পর সময় হয়েছে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার দিনগুলি সম্পর্কে জানার। চলুন দেখে নিই- (৭)

  • ফালসা ফলে অ্যান্টি-হাইপারগ্লাইসেমিক উপাদান থাকে। ফলে এটি খেলে অনেকের ব্লাড-গ্লুকোজ লেভেল কমে যায়। তাই এই ফল বেশি খেলে আপনার শরীরে হাইপার-গ্লাইসেমিক ঘটিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • ফলসায় থাকা কোনও পুষ্টিতে যদি আপনার অ্যালার্জি থাকে, তাহলে তা আপনার শরীরে ক্ষতি করতে পারে।
  • আমরা আগেই জানিয়েছি যে, ফলসায় যথেষ্ট পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। তাই এই ফল বেশি খেলে তা আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। তাতে আপনি হাইপারক্যালসেমিয়া আক্রান্ত হতে পারেন। আর এর প্রভাবে আপনার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তাহলে জানলেন তো ফলসার মতো এই ছোট্ট ফলেরও কত গুণাগুণ। আশা করি, আপনি ফলসার সঙ্গে জুড়ে থাকা বহু তথ্যই জানতে পেরেছেন। তাও যদি আপনাদের আরও কিছু জানার থাকে, আমাদের এই প্রতিবেদনের নীচে থাকা কমেন্ট বক্সে তা জানান। আর আমাদের প্রতিবেদনটি ভাগ করে নিন আপনার আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব এবং পরিচিতদের সঙ্গে।

এবার চলুন জেনে নিই এই ফল সংক্রান্ত কিছু প্রায়শই জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন।

প্রায়শই জিজ্ঞাস্য প্রশ্নঃ

গর্ভাবস্থায় কি ফলসা খাওয়া সুরক্ষিত?

আপনি গর্ভাবস্থায় ফলসা ফল খেতেই পারেন, তবে মাথায় রাখবেন পরিমাণ যেন খুব বেশি একেবারেই না হয়। কারণ এটি খেলে শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি ওঠা-নামা করে।

ফলসা কি এক ধরনের বেরি?

হ্যাঁ, ফলসা এক ধরনের বেরি।

Sources

Articles on StyleCraze are backed by verified information from peer-reviewed and academic research papers, reputed organizations, research institutions, and medical associations to ensure accuracy and relevance. Check out our editorial policy for further details.
Was this article helpful?
The following two tabs change content below.